বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার শঙ্কা, জরুরি সতর্কতা জারি

- প্রকাশের সময় : ০২:১৫:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 4

প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে গুরুতর দুটি নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা তাদের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য
আজ বুধবার এসব ত্রুটি সংশোধনে হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশ করা হলেও, এরইমধ্যে কিছু ওয়েবসাইটে হামলার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স, এএফপি ও বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও ফ্রান্সের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ওয়েবসাইট বন্ধ করেছে। যুক্তরাজ্যের এডিনবরা কাউন্সিল এবং বিবিসির কয়েকটি অনুষ্ঠানভিত্তিক ওয়েবপেজও পাওয়া যায়নি। তবে এসব ওয়েবসাইটের সঙ্গে পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটির সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) বুধবার সতর্ক করে বলেছে, নিরাপত্তাত্রুটি তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা উচিত। সংস্থাটির ভাষ্য, এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা সরাসরি সার্ভারের ফাইল সিস্টেম বা ডেটাবেজে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে।
ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও সামগ্রিক প্রভাব
Effective Immediately, all organizations using PHP for their systems are advised to be prepared for an update addressing two critical vulnerabilities. PHP is widely used for web applications. These vulnerabilities often provide a direct path to the server’s file system or database. If an immediate update is not feasible, it is recommend that organizations take the system offline until it can be fully mitigated. NSA will follow up shortly with more specific guidance.
পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটির কারণে নেদারল্যান্ডসে একাধিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কেন্দ্র, সরকারি পোর্টাল ওভারহেইড.এনএল, রটারডাম বন্দর, জাতীয় ফুটবল সংস্থা কেএনভিবি, দেশটির পাঁচটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের ওয়েবসাইট এবং কয়েকটি হাসপাতালের ওয়েবসাইট।
ফিনল্যান্ডের সরকারি তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভালতোরি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সরকারি নেটওয়ার্কের ওয়েব পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও নিরাপত্তা হালনাগাদ প্রকাশের অপেক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের ওয়েবসাইটগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে।



















