বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৯০০ কোটি টাকার তহবিল করবে বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার শঙ্কা, জরুরি সতর্কতা জারি জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটে পরিচালক নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক, নেপথ্যে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ বাতাসে ঘুরবে গাড়ি, বাজারে আনছে ইলন মাস্কের টেসলা ১ লাখ টাকার মধ্যে সেরা ৫ ল্যাপটপ এশিয়া কাপ আর্চারি: ইরাকে বন্যা-শ্রীপর্ণা-মনির সোনা জয় ভারতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো রিলসভিত্তিক ফেসবুক নিউজফিড ব্রাজিলিয়ান কুনিয়ার জোড়া গোলে অবিশ্বাস্য জয় ম্যানইউর রেকর্ড সৃষ্টি করে ৪৯২ কোটি টাকায় বিক্রি হলো ফেরারির ইলেকট্রিক গাড়ি ‘লুচে’ ব্যালন ডি’অরের চেয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়কে ওপরে রাখছেন কেইন

নতুন কেনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকতে পারে ভাইরাস, করতে পারে যেসব ক্ষতি

মামুন হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 7
নতুন কেনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকতে পারে ভাইরাস, করতে পারে যেসব ক্ষতি

নতুন স্মার্টফোন কিনে চালু করার আগেই সেটিতে ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ভাইরাস থাকতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বিটডিফেন্ডারের গবেষকেরা বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশের হাজার হাজার কম দামের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এমন সফটওয়্যার পেয়েছেন। ফোনের সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যেই এটি আগে থেকে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য

গবেষকেরা এই ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনাটির নাম দিয়েছেন ‘মিডনাইট মিমোসা’। গত দুই বছরে হাজার হাজার ফোনে এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ফোনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মেক্সিকো, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে।

মিডিয়াটেক চিপ ব্যবহার করা কিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এই ম্যালওয়্যার পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এমন ফোন আছে যেগুলোর নাম ও বিজ্ঞাপনে দামি ও উন্নত স্মার্টফোনের মতো বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে।

এই ক্ষতিকর সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফোনে অ্যাপ ইনস্টল করতে বা মুছে ফেলতে পারে। ভুয়া বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার মতো কার্যক্রমও চালাতে পারে। এমনকি ফোনের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করে ক্ষতিকর কাজ করতে পারে।

ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও সামগ্রিক প্রভাব

কিছু আক্রান্ত ফোন ব্যবহারকারীর অজান্তে অন্যদের ইন্টারনেটের তথ্য আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। এভাবে ফোনটি অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ডিভাইসের একটি দলের অংশ হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের দলকে বলা হয় ‘বটনেট’।গবেষকেরা গুগল প্লেতে ছড়িয়ে পড়া ১৩টি ক্ষতিকর অ্যাপও শনাক্ত করেছেন। ফোনে আগে থেকে থাকা ম্যালওয়্যার সাময়িকভাবে গুগল প্লে স্টোর বন্ধ করে দিতে পারে। এরপর এটি অন্য ক্ষতিকর অ্যাপ ইনস্টল করার চেষ্টা করে, যেন গুগলের নিরাপত্তাব্যবস্থা সহজে তা শনাক্ত করতে না পারে।

এ ছাড়া সাধারণ অ্যাপের মতো দেখতে অন্তত ৩২ ধরনের অ্যাপ গোপনে ইনস্টল করতে পারে এই ম্যালওয়্যার। এসব অ্যাপের মধ্যে রয়েছে আবহাওয়ার খবর দেখার অ্যাপ, ফাইল সাজানোর অ্যাপ, আইকন বদলানোর টুল ও অডিও সম্পাদনার অ্যাপ।

সাধারণ অ্যাপ ফোনের সেটিংস থেকে মুছে ফেলা যায়। কিন্তু এই ম্যালওয়্যার ফোনের মূল সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যে থাকায় সহজে সরানো যায় না।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নতুন কেনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকতে পারে ভাইরাস, করতে পারে যেসব ক্ষতি

প্রকাশের সময় : ১২:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

নতুন স্মার্টফোন কিনে চালু করার আগেই সেটিতে ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ভাইরাস থাকতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বিটডিফেন্ডারের গবেষকেরা বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশের হাজার হাজার কম দামের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এমন সফটওয়্যার পেয়েছেন। ফোনের সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যেই এটি আগে থেকে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য

গবেষকেরা এই ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনাটির নাম দিয়েছেন ‘মিডনাইট মিমোসা’। গত দুই বছরে হাজার হাজার ফোনে এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ফোনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মেক্সিকো, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে।

মিডিয়াটেক চিপ ব্যবহার করা কিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এই ম্যালওয়্যার পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এমন ফোন আছে যেগুলোর নাম ও বিজ্ঞাপনে দামি ও উন্নত স্মার্টফোনের মতো বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে।

এই ক্ষতিকর সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফোনে অ্যাপ ইনস্টল করতে বা মুছে ফেলতে পারে। ভুয়া বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার মতো কার্যক্রমও চালাতে পারে। এমনকি ফোনের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করে ক্ষতিকর কাজ করতে পারে।

ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও সামগ্রিক প্রভাব

কিছু আক্রান্ত ফোন ব্যবহারকারীর অজান্তে অন্যদের ইন্টারনেটের তথ্য আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। এভাবে ফোনটি অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ডিভাইসের একটি দলের অংশ হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের দলকে বলা হয় ‘বটনেট’।গবেষকেরা গুগল প্লেতে ছড়িয়ে পড়া ১৩টি ক্ষতিকর অ্যাপও শনাক্ত করেছেন। ফোনে আগে থেকে থাকা ম্যালওয়্যার সাময়িকভাবে গুগল প্লে স্টোর বন্ধ করে দিতে পারে। এরপর এটি অন্য ক্ষতিকর অ্যাপ ইনস্টল করার চেষ্টা করে, যেন গুগলের নিরাপত্তাব্যবস্থা সহজে তা শনাক্ত করতে না পারে।

এ ছাড়া সাধারণ অ্যাপের মতো দেখতে অন্তত ৩২ ধরনের অ্যাপ গোপনে ইনস্টল করতে পারে এই ম্যালওয়্যার। এসব অ্যাপের মধ্যে রয়েছে আবহাওয়ার খবর দেখার অ্যাপ, ফাইল সাজানোর অ্যাপ, আইকন বদলানোর টুল ও অডিও সম্পাদনার অ্যাপ।

সাধারণ অ্যাপ ফোনের সেটিংস থেকে মুছে ফেলা যায়। কিন্তু এই ম্যালওয়্যার ফোনের মূল সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যে থাকায় সহজে সরানো যায় না।