Dhaka ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মাদরাসায় বলাৎকার বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে : ধর্মমন্ত্রী ফুটপাতে পার্কিং করা ছিল আসিফ আকবরের গাড়ি, সিএনজিতে এসে গুলি করে দুর্বৃত্ত কোটালীপাড়ায় জমজমাট হয়ে উঠেছে লক্ষ্মী প্রতিমা বিক্রির হাট যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, জানাল দূতাবাস গাজীপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৮ ইউনিট ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া ট্রাম্প এনআইডি সংশোধনে ইসির বড় অগ্রগতি, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি মহা-রূপান্তরের দ্বারপ্রান্তে মোংলা বন্দর ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ক্ষতিগ্রস্ত ২১৯৩৩ যাত্রী সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী ও দেশটির ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর ক্রেমলিনও এ যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেছে।

যুদ্ধের কারণে ওলেশকি শহরে আটকা পড়েছেন বহু বাসিন্দা। সংঘাতের কারণে সেখানে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে শহরটিতে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসের ফার্স্টলেডির দপ্তর থেকে মেলানিয়া ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ওলেশকির বর্তমান পরিস্থিতি ভয়াবহ। যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকা শহরটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

বিবৃতিতে আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আপাতত এ যুদ্ধবিরতি শুধু শহরটিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, তাঁর হস্তক্ষেপ ছাড়া শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হতো।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই মানবিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রধান আলোচক ও শীর্ষ মুখপাত্র ডেভিড আরাখামিয়া। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, মেলানিয়া ট্রাম্প ও পোপ লিওর অংশগ্রহণে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এ চুক্তি অর্জিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় একটি মানবিক করিডোর তৈরি করা হবে, যার মাধ্যমে বাসিন্দারা শহর ছেড়ে যেতে পারবেন এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্থানীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেছে ক্রেমলিন। তাদের ভাষ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী চুক্তি বাস্তবায়নের তারিখ নির্ধারণে কাজ করছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, ওলেশকি থেকে যেসব বেসামরিক নাগরিক চলে যেতে চান, তাঁদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে। তবে স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অন্তত কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

চুক্তি সম্পাদনে মেলানিয়া ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন পেসকভ। তিনি জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সাম্প্রতিক এক ফোনালাপেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে পেসকভ বলেন, মানবিক কার্যক্রম সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে তাঁরা স্বাগত জানান।

এর আগে, এক বছর আগে মেলানিয়া ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তিনি একটি গোপন যোগাযোগমাধ্যম তৈরি করেছিলেন। তাঁর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এরপর থেকে যুদ্ধের কারণে বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ৩৪ শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছেন তিনি।

সর্বশেষ এ ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ প্রক্রিয়ায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির তুলনায় রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি বেশি মনোযোগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মেলানিয়া ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘ওলেশকি পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে তিনি রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন। উভয় দেশের বেসামরিক নেতারা একসঙ্গে কাজ করবেন এবং মানবিক প্রয়োজনগুলো মূল্যায়নে বিধ্বস্ত শহরটি পরিদর্শন করবেন বলেও জানান তিনি।

শুক্রবারের বিবৃতিতে মেলানিয়া বলেন, যেসব বাসিন্দা অন্যত্র চলে যেতে চান, তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর ধারণা, কেউ রাশিয়ায় যেতে চাইবেন, আবার কেউ ইউক্রেনে ফিরতে চাইবেন।

বাসিন্দাদের ইচ্ছার যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে তিনি নিজে এবং একটি ‘নিরপেক্ষ মার্কিন গণমাধ্যম সংস্থা’ পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে রুশ ও ইউক্রেনীয় পক্ষের সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। পুরো কার্যক্রম নথিবদ্ধ করা হলেও ওই গণমাধ্যম সংস্থার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

খেরসন অঞ্চলে দিনিপ্রো নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত ওলেশকি শহরটি ২০২২ সালে রুশ বাহিনী দখল করে নেয়। যুদ্ধের আগে শহরটিতে প্রায় ২৪ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। বর্তমানে সেখানে প্রায় ২ হাজার মানুষ অবশিষ্ট রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে শহরটির সাবেক বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছিলেন, রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর লড়াইয়ের মধ্যে সাধারণ মানুষ আটকা পড়েছেন। সেখানে খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

সূত্র: এএফপি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া ট্রাম্প

প্রকাশের সময় : ১২:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী ও দেশটির ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর ক্রেমলিনও এ যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেছে।

যুদ্ধের কারণে ওলেশকি শহরে আটকা পড়েছেন বহু বাসিন্দা। সংঘাতের কারণে সেখানে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে শহরটিতে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসের ফার্স্টলেডির দপ্তর থেকে মেলানিয়া ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ওলেশকির বর্তমান পরিস্থিতি ভয়াবহ। যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকা শহরটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

বিবৃতিতে আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আপাতত এ যুদ্ধবিরতি শুধু শহরটিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, তাঁর হস্তক্ষেপ ছাড়া শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হতো।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই মানবিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রধান আলোচক ও শীর্ষ মুখপাত্র ডেভিড আরাখামিয়া। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, মেলানিয়া ট্রাম্প ও পোপ লিওর অংশগ্রহণে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এ চুক্তি অর্জিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় একটি মানবিক করিডোর তৈরি করা হবে, যার মাধ্যমে বাসিন্দারা শহর ছেড়ে যেতে পারবেন এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্থানীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেছে ক্রেমলিন। তাদের ভাষ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী চুক্তি বাস্তবায়নের তারিখ নির্ধারণে কাজ করছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, ওলেশকি থেকে যেসব বেসামরিক নাগরিক চলে যেতে চান, তাঁদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে। তবে স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অন্তত কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

চুক্তি সম্পাদনে মেলানিয়া ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন পেসকভ। তিনি জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সাম্প্রতিক এক ফোনালাপেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে পেসকভ বলেন, মানবিক কার্যক্রম সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে তাঁরা স্বাগত জানান।

এর আগে, এক বছর আগে মেলানিয়া ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তিনি একটি গোপন যোগাযোগমাধ্যম তৈরি করেছিলেন। তাঁর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এরপর থেকে যুদ্ধের কারণে বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ৩৪ শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছেন তিনি।

সর্বশেষ এ ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ প্রক্রিয়ায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির তুলনায় রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি বেশি মনোযোগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মেলানিয়া ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘ওলেশকি পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে তিনি রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন। উভয় দেশের বেসামরিক নেতারা একসঙ্গে কাজ করবেন এবং মানবিক প্রয়োজনগুলো মূল্যায়নে বিধ্বস্ত শহরটি পরিদর্শন করবেন বলেও জানান তিনি।

শুক্রবারের বিবৃতিতে মেলানিয়া বলেন, যেসব বাসিন্দা অন্যত্র চলে যেতে চান, তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর ধারণা, কেউ রাশিয়ায় যেতে চাইবেন, আবার কেউ ইউক্রেনে ফিরতে চাইবেন।

বাসিন্দাদের ইচ্ছার যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে তিনি নিজে এবং একটি ‘নিরপেক্ষ মার্কিন গণমাধ্যম সংস্থা’ পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে রুশ ও ইউক্রেনীয় পক্ষের সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। পুরো কার্যক্রম নথিবদ্ধ করা হলেও ওই গণমাধ্যম সংস্থার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

খেরসন অঞ্চলে দিনিপ্রো নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত ওলেশকি শহরটি ২০২২ সালে রুশ বাহিনী দখল করে নেয়। যুদ্ধের আগে শহরটিতে প্রায় ২৪ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। বর্তমানে সেখানে প্রায় ২ হাজার মানুষ অবশিষ্ট রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে শহরটির সাবেক বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছিলেন, রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর লড়াইয়ের মধ্যে সাধারণ মানুষ আটকা পড়েছেন। সেখানে খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

সূত্র: এএফপি