গুগল ড্রাইভের স্টোরেজ শেষ? টেলিগ্রামে ফাইল রাখবেন যেভাবে
- প্রকাশের সময় : ০৫:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 2
গুগল ড্রাইভের ১৫ জিবি বিনামূল্যের স্টোরেজ শেষ হয়ে গেলে নতুন করে ক্লাউড স্টোরেজ কেনার কথা ভাবেন অনেকেই। ফোনের ছবি, ভিডিও, পিডিএফসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল জমতে থাকলে এ সমস্যা আরও বাড়ে। তবে বিকল্প হিসেবে টেলিগ্রামের ক্লাউডভিত্তিক চ্যাট ব্যবস্থাও কাজে লাগানো যেতে পারে।
টেলিগ্রাম মূলত বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ হলেও এতে নিজের অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন ধরনের ফাইল সংরক্ষণ করে রাখার সুবিধা রয়েছে। সেভড মেসেজেস-এ ছবি, ভিডিও, পিডিএফ, ওয়ার্ড ফাইলসহ বিভিন্ন নথি পাঠিয়ে রাখলে পরে একই অ্যাকাউন্ট দিয়ে অন্য ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার থেকেও সেগুলো দেখা বা ডাউনলোড করা যায়।
২ জিবি কি মোট বিনামূল্যের স্টোরেজ?
এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। টেলিগ্রাম সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল ড্রাইভের মতো নির্দিষ্ট **২ জিবি মোট বিনামূল্যের স্টোরেজ** দেয় না। বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে একটি ফাইলের সর্বোচ্চ আকার ২ জিবি হতে পারে।
অর্থাৎ, ২ জিবি হলো **প্রতি ফাইলের আকারের সীমা**, মোট স্টোরেজের পরিমাণ নয়। তাই টেলিগ্রামে একাধিক ফাইল পাঠিয়ে রাখা সম্ভব হলেও এটিকে গুগল ড্রাইভের ১৫ জিবি স্টোরেজের সমতুল্য ভাবা ঠিক হবে না।
সেভড মেসেজেসে ফাইল রাখবেন যেভাবে
প্রথমে টেলিগ্রাম অ্যাপ খুলে *সেভড মেসেজেস*অপশনে যেতে হবে। এরপর ফাইল বা সংযুক্তি পাঠানোর অপশন থেকে ফোনে থাকা প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও, পিডিএফ কিংবা অন্য কোনো নথি নির্বাচন করতে হবে।
ফাইল আপলোড হয়ে গেলে সেটি সেভড মেসেজেসে থাকবে। পরে একই টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট অন্য কোনো ডিভাইসে চালু করলে সেখান থেকেও ফাইলটি খুঁজে দেখা বা ডাউনলোড করা যাবে।
বড় ফাইল রাখার সুবিধা
ই-মেইল বা অন্য কিছু সেবায় বড় ভিডিও বা নথি পাঠানোর ক্ষেত্রে ফাইলের আকার নিয়ে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। টেলিগ্রামে তুলনামূলক বড় ফাইল পাঠানোর সুযোগ থাকায় ভিডিও, পিডিএফ, জিপ ফাইলসহ বিভিন্ন নথি নিজের অ্যাকাউন্টে রেখে দেওয়া যায়।
তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। ক্লাউডে থাকা ফাইল ফোনে ডাউনলোড করে রাখলে সেটি আবার ফোনের অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ ব্যবহার করবে।
গুগল ড্রাইভের বিকল্প কি টেলিগ্রাম?
পুরোপুরি নয়। গুগল ড্রাইভ মূলত ফাইল সংরক্ষণ, ফোল্ডার তৈরি, ফাইল শেয়ারিং ও ব্যাকআপের মতো কাজের জন্য তৈরি। অন্যদিকে টেলিগ্রাম মূলত একটি মেসেজিং অ্যাপ, যেখানে ফাইল সংরক্ষণের সুবিধাও রয়েছে।
তাই অল্প কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিজের কাছে রেখে বিভিন্ন ডিভাইস থেকে দ্রুত ব্যবহার করতে টেলিগ্রাম কাজে লাগতে পারে। তবে নিয়মিত ব্যাকআপ, ফোল্ডারভিত্তিক ফাইল ব্যবস্থাপনা বা দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের জন্য এটিকে গুগল ড্রাইভের সরাসরি বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করার আগে এর সীমাবদ্ধতাগুলো জানা জরুরি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ২ জিবি বলতে মোট স্টোরেজ নয়, একটি ফাইলের সর্বোচ্চ আকারের সীমা বোঝায়।গুগল ড্রাইভের স্টোরেজ শেষ হয়ে গেলে তাই টেলিগ্রাম ব্যবহার করার আগে এই পার্থক্যটি মনে রাখা প্রয়োজন।























