Dhaka ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মহাখালীতে ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৩ ইউনিট অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে সম্মুখীন করা অযৌক্তিক এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন পুতুল জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান বালিয়াকান্দিতে এসিআর স্বাক্ষর না করায় শিক্ষা কর্মকর্তা অবরুদ্ধ ‘ডিবি’ হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর ছয় মাসে রেলওয়ের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা : রেলমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬৩

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে সম্মুখীন করা অযৌক্তিক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7

অবসরের পর বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের মুখোমুখি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে দায়ের করা এক রিট মামলার রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায়টি প্রকাশ করা হয়।

বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীসহ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারক এবং তাদের স্ত্রীদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন ছাড়াই সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত রায়ে বলেন, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের পুনরায় গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের মুখোমুখি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

রিট আবেদনে বলা হয়, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও তাদের স্ত্রী কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকারী। বিচারকের পদ থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়। আগে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনের প্রয়োজন হতো না।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট এক স্মারকের মাধ্যমে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণকারী ব্যক্তিদের সাধারণ পাসপোর্ট দেওয়ার আগে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সন্তোষজনক প্রতিবেদন পাওয়ার শর্ত আরোপ করে।

এর ফলে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু গোয়েন্দা ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়নি। এতে তিনি বিদেশ ভ্রমণে বাধাগ্রস্ত হন।

পরে এ প্রশাসনিক বাধার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অনুমতিক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের প্রোটোকল অফিসার মো. রোমান ভূঁইয়া রিটটি দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

সেই রুলের নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট সাবেক বিচারপতি ও তাদের স্ত্রীদের সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন না করার নির্দেশ দিয়ে এ রায় ঘোষণা করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে সম্মুখীন করা অযৌক্তিক

প্রকাশের সময় : ১১:৩১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অবসরের পর বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের মুখোমুখি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে দায়ের করা এক রিট মামলার রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায়টি প্রকাশ করা হয়।

বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীসহ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারক এবং তাদের স্ত্রীদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন ছাড়াই সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত রায়ে বলেন, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের পুনরায় গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের মুখোমুখি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

রিট আবেদনে বলা হয়, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও তাদের স্ত্রী কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকারী। বিচারকের পদ থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়। আগে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনের প্রয়োজন হতো না।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট এক স্মারকের মাধ্যমে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণকারী ব্যক্তিদের সাধারণ পাসপোর্ট দেওয়ার আগে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সন্তোষজনক প্রতিবেদন পাওয়ার শর্ত আরোপ করে।

এর ফলে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু গোয়েন্দা ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়নি। এতে তিনি বিদেশ ভ্রমণে বাধাগ্রস্ত হন।

পরে এ প্রশাসনিক বাধার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অনুমতিক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের প্রোটোকল অফিসার মো. রোমান ভূঁইয়া রিটটি দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

সেই রুলের নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট সাবেক বিচারপতি ও তাদের স্ত্রীদের সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন না করার নির্দেশ দিয়ে এ রায় ঘোষণা করেন।