Dhaka ১২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতার আগুনে নিহতদের মরদেহের জন্য বেনাপোলে স্বজনদের অপেক্ষা

মনির হোসেন, বেনাপোল
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 7

ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন ও সাভারের একজনের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা। মরদেহ গ্রহণের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান করছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, “কখন তাদের মরদেহ দেশে আসবে, তা এখনও আমাদের জানানো হয়নি।”

অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (৩৫), তাদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪) এবং সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আদম আলীর ছেলে আহম্মেদ বাবু (৩৭)।

মরদেহ সংগ্রহের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অপেক্ষা করছেন আহম্মেদ বাবুর স্বজনরা।

মরদেহ নিতে আসা আহম্মেদ বাবুর মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতায় যান আহম্মেদ বাবু। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কথাও হয়। কিন্তু কলকাতার ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে মোবাইল ফোনে আহম্মেদ বাবুর নিহত হওয়ার খবর জানানো হয়। পরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিহতের ছবি পাঠানো হলে পরিবারের সদস্যরা ছবি দেখে বাবুকে শনাক্ত করেন।

মনির হোসেন বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতায় যারা মরদেহ গ্রহণ করবেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই তারা মরদেহ গ্রহণ করবেন এবং পরে রওনা দেবেন।”

স্বজনদের আশা, শনিবার বিকেল ৪টার মধ্যে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কলকাতার আগুনে নিহতদের মরদেহের জন্য বেনাপোলে স্বজনদের অপেক্ষা

প্রকাশের সময় : ১০:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন ও সাভারের একজনের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা। মরদেহ গ্রহণের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান করছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, “কখন তাদের মরদেহ দেশে আসবে, তা এখনও আমাদের জানানো হয়নি।”

অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (৩৫), তাদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪) এবং সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আদম আলীর ছেলে আহম্মেদ বাবু (৩৭)।

মরদেহ সংগ্রহের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অপেক্ষা করছেন আহম্মেদ বাবুর স্বজনরা।

মরদেহ নিতে আসা আহম্মেদ বাবুর মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতায় যান আহম্মেদ বাবু। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কথাও হয়। কিন্তু কলকাতার ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে মোবাইল ফোনে আহম্মেদ বাবুর নিহত হওয়ার খবর জানানো হয়। পরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিহতের ছবি পাঠানো হলে পরিবারের সদস্যরা ছবি দেখে বাবুকে শনাক্ত করেন।

মনির হোসেন বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতায় যারা মরদেহ গ্রহণ করবেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই তারা মরদেহ গ্রহণ করবেন এবং পরে রওনা দেবেন।”

স্বজনদের আশা, শনিবার বিকেল ৪টার মধ্যে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।