Dhaka ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, সালাউদ্দিন তানভীরকে আরেকবার অব্যাহতি দিল এনসিপি আগস্টজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস, বন্যার ঝুঁকিতে একাধিক অঞ্চল চট্টগ্রাম বন্দর; ১৮ দিনে তিন জাহাজে জলদস্যুর হানা, ১০ কোটি টাকার সামগ্রী লুট কালীগঞ্জে হজ পালনকারী হাজীদের সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আপত্তিকর অবস্থায় ধরার অভিযোগে নির্যাতন, পরে আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর শ্বাসনালিতে খাবার আটকে ঢাবি শিক্ষিকার মৃত্যু গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতার পদত্যাগ মধুখালী উন্নয়ন সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং করতে গিয়ে পর্যটকের মৃত্যু নওগাঁর পত্নীতলায় চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপকরণ জব্দ, আটক ২

ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেলে রাখা হয়েছিল : চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 23

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ভারতে পাচারের আগে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ কার্যালয়ে অবস্থিত টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে যে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও একসময় টিএফআই সেলে রাখা হয়েছিল। বিচারপতিদের সরাসরি এই নির্যাতনকক্ষ দেখানোর উদ্দেশ্য হলো মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় বাস্তব চিত্র তুলে ধরা। তিনি আরও বলেন, আয়নাঘর বা টিএফআই সেলের আলামত নষ্টের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, টিএফআই সেল নামে কোনো স্থাপনা নেই এবং র‍্যাব এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল না।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম এবং মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা র‍্যাব-১ কার্যালয়ে পৌঁছে টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন।

টিএফআই সেলে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা দায়িত্ব পালনকালে র‍্যাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম। তাদের কয়েকজন বর্তমানে পলাতক।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ টিএফআই সেল পরিদর্শনের অনুমতি প্রদান করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেলে রাখা হয়েছিল : চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশের সময় : ০২:০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ভারতে পাচারের আগে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ কার্যালয়ে অবস্থিত টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে যে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও একসময় টিএফআই সেলে রাখা হয়েছিল। বিচারপতিদের সরাসরি এই নির্যাতনকক্ষ দেখানোর উদ্দেশ্য হলো মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় বাস্তব চিত্র তুলে ধরা। তিনি আরও বলেন, আয়নাঘর বা টিএফআই সেলের আলামত নষ্টের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, টিএফআই সেল নামে কোনো স্থাপনা নেই এবং র‍্যাব এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল না।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম এবং মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা র‍্যাব-১ কার্যালয়ে পৌঁছে টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন।

টিএফআই সেলে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা দায়িত্ব পালনকালে র‍্যাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম। তাদের কয়েকজন বর্তমানে পলাতক।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ টিএফআই সেল পরিদর্শনের অনুমতি প্রদান করেন।