Dhaka ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা

রাজবাড়ীতে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১০:০২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 103

 

“হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ, চেতনায় নজরুল” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রাজবাড়ী জেলা সংসদের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা উদীচীর মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা উদীচীর সহ-সভাপতি আজিজুল হাসান খোকা। জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহম্মেদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড আব্দুস সামাদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, রাজবাড়ী নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফকীর শাহাদত হোসেন, রাজবাড়ী লেখক পাঠক কেন্দ্রের সভাপতি কবি নেহাল আহম্মেদ, জেলা উদীচীর সহ-সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান লাবু, আইনজীবী গৌতম বিশ্বাস, সদস্য কমল কান্তি সরকার ও অপূর্ব কুমার বিশ্বাস।

জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে উদীচীর সংগীত বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে শিল্পীরা একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। কবিতা, গান, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার অবদান বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

তারা আরও বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা ও বিদ্রোহের প্রতীক। তার সাহিত্যকর্ম, সাংবাদিকতা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা আজও সমাজকে অনুপ্রাণিত করে। অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল সোচ্চার।

বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আদর্শ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

প্রকাশের সময় : ১০:০২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

 

“হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ, চেতনায় নজরুল” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রাজবাড়ী জেলা সংসদের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা উদীচীর মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা উদীচীর সহ-সভাপতি আজিজুল হাসান খোকা। জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহম্মেদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড আব্দুস সামাদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, রাজবাড়ী নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফকীর শাহাদত হোসেন, রাজবাড়ী লেখক পাঠক কেন্দ্রের সভাপতি কবি নেহাল আহম্মেদ, জেলা উদীচীর সহ-সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান লাবু, আইনজীবী গৌতম বিশ্বাস, সদস্য কমল কান্তি সরকার ও অপূর্ব কুমার বিশ্বাস।

জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে উদীচীর সংগীত বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে শিল্পীরা একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। কবিতা, গান, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার অবদান বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

তারা আরও বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা ও বিদ্রোহের প্রতীক। তার সাহিত্যকর্ম, সাংবাদিকতা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা আজও সমাজকে অনুপ্রাণিত করে। অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল সোচ্চার।

বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আদর্শ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।