Dhaka ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বিক্ষোভের আগের রাতে থমথমে দিল্লি, ট্রেনের পর ইন্টারনেটও বন্ধ ঘোষণা দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ সৌদি আরবে হুতিদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা এআইকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ না বললে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে: হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৭ রান সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল, তিন ঘণ্টা কোথায় ছিলেন তাজমিন? মানসিক অসুস্থতা ঘিরে কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাজবাড়ীর আমবাগান থেকে ৪২টি ককটেল উদ্ধার রাজবাড়ীতে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন দুই শতাধিক রোগী কুমিল্লায় তাজমিন হত্যায় সন্দেহভাজন অটোরিকশাচালক গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায় সরকার : হাছান মাহমুদ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 119

বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের মৃত নেতাদের প্রতিও ভীত—এমন মন্তব্য করেছেন বিদেশে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা ও দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা তোফায়েল ভাই বাংলাদেশের কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির ইতিহাসের সঙ্গে যাদের নাম জড়িয়ে আছে, তিনি তাদের অন্যতম।”

তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে তোফায়েল আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি নয়বারের সংসদ সদস্য এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। কিন্তু তার জানাজাকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

হাছান মাহমুদের দাবি, ঢাকায় জানাজার স্থান থেকে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইভাবে মরদেহ ভোলায় নেওয়ার আগে সেখানে ছাত্রদল ও যুবদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ এবং মাঠে জানাজা না করতে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, “সব বাধা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত মাঠে বিশাল জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাধা না থাকলে সেখানে আরও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটত। ঢাকাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত।”

শহীদ মিনারে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ নেওয়ার অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে হাছান মাহমুদ বলেন, “আমরা দেখেছি, বিভিন্ন ব্যক্তির মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। অথচ তোফায়েল ভাইয়ের মরদেহ সেখানে নেওয়ার বিষয়ে অনেকের আগ্রহ থাকলেও সরকার অনুমতি দেয়নি। বরং শহীদ মিনারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের একজন নেতার লাশকেও তারা ভয় পায়।”

তিনি বলেন, “প্রতিহিংসা ও সংঘাতের রাজনীতির অবসান হওয়া প্রয়োজন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সামাজিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখা জরুরি।”

হাছান মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের আরেক নেতা মোশাররফ হোসেনের জানাজার পরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইভাবে তোফায়েল আহমেদের জানাজা উপলক্ষে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং সেখান থেকেও অনেককে আটক করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সূত্র: কালবেলা

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায় সরকার : হাছান মাহমুদ

প্রকাশের সময় : ১০:৩১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের মৃত নেতাদের প্রতিও ভীত—এমন মন্তব্য করেছেন বিদেশে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা ও দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা তোফায়েল ভাই বাংলাদেশের কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির ইতিহাসের সঙ্গে যাদের নাম জড়িয়ে আছে, তিনি তাদের অন্যতম।”

তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে তোফায়েল আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি নয়বারের সংসদ সদস্য এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। কিন্তু তার জানাজাকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

হাছান মাহমুদের দাবি, ঢাকায় জানাজার স্থান থেকে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইভাবে মরদেহ ভোলায় নেওয়ার আগে সেখানে ছাত্রদল ও যুবদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ এবং মাঠে জানাজা না করতে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, “সব বাধা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত মাঠে বিশাল জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাধা না থাকলে সেখানে আরও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটত। ঢাকাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত।”

শহীদ মিনারে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ নেওয়ার অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে হাছান মাহমুদ বলেন, “আমরা দেখেছি, বিভিন্ন ব্যক্তির মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। অথচ তোফায়েল ভাইয়ের মরদেহ সেখানে নেওয়ার বিষয়ে অনেকের আগ্রহ থাকলেও সরকার অনুমতি দেয়নি। বরং শহীদ মিনারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের একজন নেতার লাশকেও তারা ভয় পায়।”

তিনি বলেন, “প্রতিহিংসা ও সংঘাতের রাজনীতির অবসান হওয়া প্রয়োজন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সামাজিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখা জরুরি।”

হাছান মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের আরেক নেতা মোশাররফ হোসেনের জানাজার পরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইভাবে তোফায়েল আহমেদের জানাজা উপলক্ষে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং সেখান থেকেও অনেককে আটক করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সূত্র: কালবেলা