মহেশপুরে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই : মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩
- প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
- / 87
ঝিনাইদহের মহেশপুরে এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের ৬ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ভাতিজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের সেলিনা বেগম (৫০) একটি এনজিও থেকে ৬ লাখ টাকা ঋণ নেন। সোমবার চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের একটি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ভাতিজা লিটনের মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। বিকেলের দিকে মহেশপুরের মথুরানগর গ্রামের দত্তনগর-জলিলপুর সড়কে পৌঁছালে দুই ছিনতাইকারী মোটরসাইকেলে এসে তার হাত থেকে টাকাভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর মহেশপুর থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং আশপাশের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি ইয়ামাহা ফেজার মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়। পরে ওই মোটরসাইকেলের সূত্র ধরে জলিলপুর গ্রামের আয়ুব হোসেনের ছেলে আমিনুর রহমান খানকে (২৪) পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে আমিনুর ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করে এবং ছিনতাই করা টাকা তার বাড়িতে রাখা আছে বলে জানায়। পরে পুলিশ রাত ৮টার দিকে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আমিনুরের দেখানো মতে ছিনতাই হওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করে।
পুলিশ আরও জানায়, সেলিনা বেগমের সঙ্গে থাকা তার ভাতিজা লিটন শেখ (৪০) এই ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনাকারী। লিটন শেখ, আমিনুর রহমান খান, মোস্তফা জামান ওরফে বরকত বিশ্বাস (৪৭) এবং শাওন বদ্দি (২৩) মিলে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘটনার আগে আমিনুর ও শাওন মোটরসাইকেলে করে লিটন ও তার ফুফুকে অনুসরণ করছিল। নির্ধারিত স্থানে পৌঁছালে লিটন ইচ্ছাকৃতভাবে মোটরসাইকেলের গতি কমিয়ে দেয়। এ সময় আমিনুরের মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা শাওন সেলিনা বেগমের হাত থেকে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
এ ঘটনায় পুলিশ লিটন ও বরকতকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মহেশপুরের কাজীপাড়া গ্রামের আইনাল বদ্দির ছেলে শাওন বদ্দি এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহেশপুর থানায় এ ঘটনায় মামলা নং-২১, তারিখ ১১/০৫/২০২৬, দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে ঝিনাইদহ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে মহেশপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে।





















