উদ্ধার হয়নি কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবকে হত্যার সেই অস্ত্র, ছিল আরেক স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ
- প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
- / 155
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। অপরদিকে সূত্র বলছে, মুন বা মনি নামে এক নারীর সঙ্গে রাকিবের সম্পর্কের অবনতির হওয়ায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটতে পারে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম জানিয়েছেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবুল ইসলাম রাকিব হত্যাকাণ্ডে সরাসরি চারজন অংশ নেন। তবে ঘটনাস্থলের আশপাশে আরও সহযোগী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থেকে ব্যাকআপ দিচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে একটি সূত্র জানায়, মুন বা মনি নামে এক নারীর সঙ্গে রাকিবের সম্পর্ক ছিল, তাদের বিয়েও হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডের বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই তাদের সম্পর্কের অবনতি হয়।
জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী থাকলেও তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত রাকিবের সঙ্গে ওই নারীর তালাক হয়েছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, রাকিব একাধিক বিয়ে করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই মুন বা মনি নামে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে পুলিশের তদন্তে প্রাথমিকভাবে এসব বেরিয়ে আসছে।
যে অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়ে রাকিবকে হত্যা করা হয়েছিল-সেই অস্ত্রটি এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ তবে অস্ত্র সন্ধানের পাশাপাশি অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান আছে।
গত রোববার রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবকে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, রাকিবের মাথায় গুলির চিহ্ন রয়েছে।
এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার মাথার পাশাপাশি পিঠের বাম ও ডান পাশে গুলির ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এছাড়া শরীরের আরও কয়েকটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।


























