জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে প্রশংসায় ভাসছেন এমপি আবু তালিব
- প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 197
ঝিনাইদহ-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, বাজার মনিটরিং জোরদার, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের আশ্বাসসহ নানা উদ্যোগে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কালীগঞ্জ পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্ন কালীগঞ্জ গড়তে চাই—এটা আমার প্রয়াস। কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছি। ময়লা-আবর্জনা স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। আমরা সামাজিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করছি, একই সঙ্গে মানুষের মননেও পরিচ্ছন্নতা দরকার।”
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা দমনেও তিনি কঠোর অবস্থান নেন। দলীয় নেতাকর্মীদের বিশৃঙ্খলা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উদ্যোগী হন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণসহ অবকাঠামো উন্নয়ন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকের মানোন্নয়নের আশ্বাস দেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পৌরসভার কাশিপুর এলাকায় রিকশা-ভ্যান থেকে চাঁদা আদায় বন্ধের ঘোষণা দেন তিনি। বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন না করা পর্যন্ত এ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান।
এ ছাড়া পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কালীগঞ্জ পৌরসভার পুরাতন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি এবং কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান।
মোবারকগঞ্জ চিনিকলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের সেবার মান নিশ্চিত ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান জানান।
এমপি আবু তালিব বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের খাদেম হিসেবে কাজ করতে চাই। ঝিনাইদহ-৪ আসনকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি মডেল এলাকায় রূপান্তর করাই আমার মূল লক্ষ্য।”
তার এসব উদ্যোগে কালীগঞ্জসহ পুরো আসনের মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এলাকার উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
























