Dhaka ০২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা ও সড়ক নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ বিলুপ্ত করা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’ বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২.১ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নওগাঁয় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঘাড় মটকে হত্যা, কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নেওয়া হয় রাকিবের লাশ নিউমোনিক প্লেগ কী? কতটা ভয়ের কারণ হতে পারে এই রোগ? পানি সহযোগিতা নিয়ে ক‌মি‌টি : ভারতীয় প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছে ঢাকা ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে কড়া নির্দেশনা

২০৩০ সালে বিস্ময় নিয়ে আসছে রমজান, ঘটবে বিরল ঘটনা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 173

আসন্ন ২০৩০ সালের ক্যালেন্ডারে লুকিয়ে আছে এক বিরল মহাজাগতিক বিস্ময়। এর ফলে একই বছরে দুইবার রমজান মাসের সওগাত নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছে মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে।

সাধারণত বছরে একবার সিয়াম সাধনার সুযোগ এলেও মাত্র চার বছর পর এই নিয়মের এক চমকপ্রদ ব্যতিক্রম দেখা যাবে। মহাকাশ গবেষক ও ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, হিজরি সনের গঠন ও চন্দ্রবর্ষের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই প্রায় ৩৩ বছর পর পর এমন কাকতালীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

মূলত ইংরেজি বা গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে চন্দ্রবর্ষ বা হিজরি বছর প্রায় ১১ দিন কম হওয়ায় প্রতি বছরই পবিত্র রমজান মাসের সূচনালগ্ন এগিয়ে আসতে থাকে। আর এই পরিক্রমায় ২০৩০ সালের ৫ জানুয়ারি শুরু হবে সেই বছরের প্রথম রমজান মাস, যা হিজরি ১৪৫১ সনের অন্তর্ভুক্ত। বছরের শেষে গিয়ে আবার ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে হিজরি ১৪৫২ সনের রমজান মাস। অর্থাৎ ক্যালেন্ডারের পাতায় দেখা যাচ্ছে সেই বছর মুসলিমরা মোট ৩৬ দিন রোজা রাখার বিরল অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। এই মহাজাগতিক চক্রটি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে এবং ২০৩০ সালের পর আবারও এই দৃশ্যপটে ফিরে আসতে অপেক্ষা করতে হবে ২০৬৩ সাল পর্যন্ত।

বর্তমানে ২০২৬ সালের রমজানের প্রহর গুনছে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ। ২০৩০ সালের এই দুইবার রমজান হওয়ার বিষয়টি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে এক অন্যরকম আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। গ্রীষ্মের দীর্ঘ কাঠফাটা রোদে যেমন অনেক সময় দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হয়, ২০৩০ সালের দুই রমজানই শীতকালে পড়ায় দিনের দৈর্ঘ্য তুলনামূলক কম থাকবে এবং আবহাওয়াও থাকবে বেশ আরামদায়ক।

যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গাণিতিক হিসাব কষে এই সম্ভাব্য সময়গুলো বের করেছেন, তবে বরাবরের মতোই রমজানের চূড়ান্ত সময় নির্ভর করবে পবিত্র চাঁদের দর্শনের ওপর।

সূত্র: গালফ নিউজ

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

২০৩০ সালে বিস্ময় নিয়ে আসছে রমজান, ঘটবে বিরল ঘটনা

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ২০৩০ সালের ক্যালেন্ডারে লুকিয়ে আছে এক বিরল মহাজাগতিক বিস্ময়। এর ফলে একই বছরে দুইবার রমজান মাসের সওগাত নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছে মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে।

সাধারণত বছরে একবার সিয়াম সাধনার সুযোগ এলেও মাত্র চার বছর পর এই নিয়মের এক চমকপ্রদ ব্যতিক্রম দেখা যাবে। মহাকাশ গবেষক ও ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, হিজরি সনের গঠন ও চন্দ্রবর্ষের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই প্রায় ৩৩ বছর পর পর এমন কাকতালীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

মূলত ইংরেজি বা গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে চন্দ্রবর্ষ বা হিজরি বছর প্রায় ১১ দিন কম হওয়ায় প্রতি বছরই পবিত্র রমজান মাসের সূচনালগ্ন এগিয়ে আসতে থাকে। আর এই পরিক্রমায় ২০৩০ সালের ৫ জানুয়ারি শুরু হবে সেই বছরের প্রথম রমজান মাস, যা হিজরি ১৪৫১ সনের অন্তর্ভুক্ত। বছরের শেষে গিয়ে আবার ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে হিজরি ১৪৫২ সনের রমজান মাস। অর্থাৎ ক্যালেন্ডারের পাতায় দেখা যাচ্ছে সেই বছর মুসলিমরা মোট ৩৬ দিন রোজা রাখার বিরল অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। এই মহাজাগতিক চক্রটি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে এবং ২০৩০ সালের পর আবারও এই দৃশ্যপটে ফিরে আসতে অপেক্ষা করতে হবে ২০৬৩ সাল পর্যন্ত।

বর্তমানে ২০২৬ সালের রমজানের প্রহর গুনছে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ। ২০৩০ সালের এই দুইবার রমজান হওয়ার বিষয়টি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে এক অন্যরকম আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। গ্রীষ্মের দীর্ঘ কাঠফাটা রোদে যেমন অনেক সময় দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হয়, ২০৩০ সালের দুই রমজানই শীতকালে পড়ায় দিনের দৈর্ঘ্য তুলনামূলক কম থাকবে এবং আবহাওয়াও থাকবে বেশ আরামদায়ক।

যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গাণিতিক হিসাব কষে এই সম্ভাব্য সময়গুলো বের করেছেন, তবে বরাবরের মতোই রমজানের চূড়ান্ত সময় নির্ভর করবে পবিত্র চাঁদের দর্শনের ওপর।

সূত্র: গালফ নিউজ