Dhaka ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের তিন সহযোগী ১০ দিনের রিমান্ডে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 86

দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের তিন সহযোগীকে দুদকের করা মামলায় মোট ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী ও আরামিট পিএলসির এজিএম মো. আব্দুল আজিজ, ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী ও আরামিট পিএলসির এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং আরামিট পিএলসির এজিএম উৎপল পাল।

সেদিন তাদের আদালতে হাজির করে দুই মামলায় সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান ও সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমী, আর আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই মামলায় মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা ইউসিবি পিএলসির মহাখালী শাখার গ্রাহক সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড ও ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন এবং অর্থ বিদেশে পাচার করেন।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. সজীব আহমেদ অপর একটি মামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখার গ্রাহক বেস্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছ থেকে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করে ৬০ কোটি টাকা উৎকোচ নেন।

দুদক জানায়, এসব লেনদেনে আরামিট গ্রুপের কর্মচারী এবং বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সহযোগিতায় অর্থ স্থানান্তর, আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের তিন সহযোগী ১০ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশের সময় : ০৫:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের তিন সহযোগীকে দুদকের করা মামলায় মোট ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী ও আরামিট পিএলসির এজিএম মো. আব্দুল আজিজ, ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী ও আরামিট পিএলসির এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং আরামিট পিএলসির এজিএম উৎপল পাল।

সেদিন তাদের আদালতে হাজির করে দুই মামলায় সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান ও সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমী, আর আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই মামলায় মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা ইউসিবি পিএলসির মহাখালী শাখার গ্রাহক সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড ও ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন এবং অর্থ বিদেশে পাচার করেন।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. সজীব আহমেদ অপর একটি মামলায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখার গ্রাহক বেস্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছ থেকে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করে ৬০ কোটি টাকা উৎকোচ নেন।

দুদক জানায়, এসব লেনদেনে আরামিট গ্রুপের কর্মচারী এবং বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সহযোগিতায় অর্থ স্থানান্তর, আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়।