Dhaka ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক, রাষ্ট্রে সবার সমান অধিকার: রিজভী কালীগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত সব ধর্মের মানুষের বিশ্বাস ও ধর্মাচরণের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য: প্রধানমন্ত্রী যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে ৫ সরকারি কর্মচারী গ্রেফতার, উদ্ধার ৪৮ পাতার ব্যাংক চেক পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঢালারচর রেলস্টেশন পরিদর্শন, ‘ওরা ১১ জন’-এর নৌকা ভ্রমণ নুর হাসিনার পুত্র হলে আসিফ-নাহিদ-আখতাররা হাসিনার নাতি: আবু হানিফ ক্ষমা চেয়েও শাস্তি এড়াতে পারলেন না মার্তিনেজ কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টের কিট কিনতে বিএনপির আর্থিক সহায়তা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ফল প্রকাশ পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা তদারকি করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

‘সম্রাট’ কিনলে ছাগল ফ্রি!

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • / 98

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের পালড়া এলাকায় ‘মেসার্স মক্কা আল-আরাফাত ডেইরী ফার্মে’ পালিত ‘সম্রাট’ নামের একটি ষাঁড় নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। খামারের মালিক সিরাজুল ইসলাম বেপারীর দাবি—‘সম্রাট’ই বর্তমানে জেলার সবচেয়ে বড় গরু। তার ওজন প্রায় এক টন, আর দাম হাঁকা হচ্ছে দশ লাখ টাকা।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে জানানো হয়েছে, ‘সম্রাট’ যারা কিনবেন, তাদের সঙ্গে বিনামূল্যে দেওয়া হবে দুটি ছাগল—যাদের বাজারমূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা।

প্রতিবছর কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ফার্মে বড় আকৃতির গরু পালন করা হলেও, এবারের ‘সম্রাট’ সিরাজুল ইসলামের জীবনের সবচেয়ে বড় ষাঁড় বলে তিনি জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, “আমরা গরু হাটে নিই না। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা ফার্মেই চলে আসেন।”

ফার্মের শ্রমিকদের মতে, নাম ‘সম্রাট’ হলেও চলনে-বলনে সে খুবই শান্ত। প্রতিদিন তিনবার গোসল করানো হয় তাকে। খাওয়ানো হয় কুড়া, ভুসি ও কাঁচা ঘাস—সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার। হাইব্রিড বা কেমিক্যালযুক্ত কোনো খাবারই দেওয়া হয় না।

খামারে প্রতিদিন গাভী থেকে দেড় থেকে দুই মণ দুধ সংগ্রহ করা হয়। তবে ঈদকে ঘিরে বড় ষাঁড় পালনই তাদের বাড়তি আয়ের উৎস।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের পেশা গাভী ও গরু পালন। বাপ-দাদার আমল থেকেই এই কাজ করে আসছি। এখনো সেই পেশা ধরে রেখেছি।” তিনি আরও জানান, ‘সম্রাট’ বিক্রি হলে তার সঙ্গে দুটি উন্নত জাতের ছাগল উপহার দেওয়া হবে।

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, “সম্ভবত এটি জেলার সবচেয়ে বড় গরু। ওজন এক টনের আশেপাশে। দেশীয় খাবারে এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গরুটি লালন-পালন করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত তদারকি করেছি।”

‘সম্রাট’-কে ঘিরে স্থানীয় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। কেউ কেউ বলছেন, এমন প্রস্তাব—“গরু কিনে সঙ্গে ছাগল ফ্রি”—ঈদ বাজারে দৃষ্টান্ত হতে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘সম্রাট’ কিনলে ছাগল ফ্রি!

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের পালড়া এলাকায় ‘মেসার্স মক্কা আল-আরাফাত ডেইরী ফার্মে’ পালিত ‘সম্রাট’ নামের একটি ষাঁড় নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। খামারের মালিক সিরাজুল ইসলাম বেপারীর দাবি—‘সম্রাট’ই বর্তমানে জেলার সবচেয়ে বড় গরু। তার ওজন প্রায় এক টন, আর দাম হাঁকা হচ্ছে দশ লাখ টাকা।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে জানানো হয়েছে, ‘সম্রাট’ যারা কিনবেন, তাদের সঙ্গে বিনামূল্যে দেওয়া হবে দুটি ছাগল—যাদের বাজারমূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা।

প্রতিবছর কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ফার্মে বড় আকৃতির গরু পালন করা হলেও, এবারের ‘সম্রাট’ সিরাজুল ইসলামের জীবনের সবচেয়ে বড় ষাঁড় বলে তিনি জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, “আমরা গরু হাটে নিই না। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা ফার্মেই চলে আসেন।”

ফার্মের শ্রমিকদের মতে, নাম ‘সম্রাট’ হলেও চলনে-বলনে সে খুবই শান্ত। প্রতিদিন তিনবার গোসল করানো হয় তাকে। খাওয়ানো হয় কুড়া, ভুসি ও কাঁচা ঘাস—সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার। হাইব্রিড বা কেমিক্যালযুক্ত কোনো খাবারই দেওয়া হয় না।

খামারে প্রতিদিন গাভী থেকে দেড় থেকে দুই মণ দুধ সংগ্রহ করা হয়। তবে ঈদকে ঘিরে বড় ষাঁড় পালনই তাদের বাড়তি আয়ের উৎস।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের পেশা গাভী ও গরু পালন। বাপ-দাদার আমল থেকেই এই কাজ করে আসছি। এখনো সেই পেশা ধরে রেখেছি।” তিনি আরও জানান, ‘সম্রাট’ বিক্রি হলে তার সঙ্গে দুটি উন্নত জাতের ছাগল উপহার দেওয়া হবে।

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, “সম্ভবত এটি জেলার সবচেয়ে বড় গরু। ওজন এক টনের আশেপাশে। দেশীয় খাবারে এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গরুটি লালন-পালন করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত তদারকি করেছি।”

‘সম্রাট’-কে ঘিরে স্থানীয় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। কেউ কেউ বলছেন, এমন প্রস্তাব—“গরু কিনে সঙ্গে ছাগল ফ্রি”—ঈদ বাজারে দৃষ্টান্ত হতে পারে।