Dhaka ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করতে পুলিশের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ পাংশায় ড্রাম ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত বৃষ্টি মমতার বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দুর উত্থানের গল্প কালুখালীতে ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজে বোলিংয়ে হতাশায় দিন শেষ করল বাংলাদেশ জন্মের ১০ মাস পর বাবাকে দেখল শিশু, তাও কফিনবন্দি আসামে পরপর দুইবার ভূমিকম্প, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলেও অনুভূত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ, ২ শতাংশ জমা দিলেই নিয়মিত হবে খেলাপি ঋণ

৩৬০ জন হতদরিদ্রের চোখের আলো ফিরিয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাশার খান

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১
  • / 387

SAMSUNG CAMERA PICTURES

জনতার আদালত অনলাইন ॥  রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের বাসিন্ধা অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার খান। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। এখন সমাজসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের সেবা করে চলেছেন। তার বদৌলতে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ৩৬০জন দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ। মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস এবংয় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার ১০জন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের নিজের অর্থায়নে চোখের ছানি অপারেশন করেছেন। তারা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিলনয়াবাদের আঃ আজিজ, গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখ, গোলজান বিবি, মহিশবাতানের মনোয়ারা বেগম, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আশাপুর গ্রামের রহিমা বেগম, জবেদা বেগম, মধুপুর গ্রামের বিলকিছ নাহার, ফরিদপুর সদর উপজেলার বনকাইল গ্রামের আনোয়ারা বেগম, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামের আখিরন নেছা, বালিয়াকান্দি উপজেলার শালমারা গ্রামের ওয়াজেদ শেখ।

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ইতিমধ্যে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক, মহাত্ম্যা গান্ধী পুরস্কার, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বর্ণপদকসহ পাঁচটি পুরস্কার। ব্যক্তিজীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক খায়রুল বাশার খান ১৯৮০ সালের ১ জুন আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। এখন অবসর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে যাদের চোখে ছানি পড়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন লোকজনকে খুঁজে বের করে ছানি অপারেশন করান নিজ খরচে। অবশ্য তাকে এ-কাজে সহযোগিতা করেন তার জামাতা খন্দকার শামীম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে একটু ছাড় দেন। তা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করেন তিনি। জটিল রোগে যারা আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তাও দেন খায়রুল বাশার খান।

 খায়রুল বাশার খান বলেন, টাকার অভাবে একজন মানুষ ধীরে ধীরে চোখের আলো হারিয়ে ফেলবে, এটা হতে পারে না। তাই তিনি মানুষকে সহায়তা করেন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর এখন পুরোপুরি সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। সমাজসেবাতেই তার আনন্দ। যতদিন বেচে থাকবেন এ সেবা প্রদান অব্যহত রাখার অঙ্গিকার করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৩৬০ জন হতদরিদ্রের চোখের আলো ফিরিয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাশার খান

প্রকাশের সময় : ০৭:২০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥  রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের বাসিন্ধা অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার খান। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। এখন সমাজসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের সেবা করে চলেছেন। তার বদৌলতে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ৩৬০জন দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ। মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস এবংয় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার ১০জন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের নিজের অর্থায়নে চোখের ছানি অপারেশন করেছেন। তারা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিলনয়াবাদের আঃ আজিজ, গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখ, গোলজান বিবি, মহিশবাতানের মনোয়ারা বেগম, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আশাপুর গ্রামের রহিমা বেগম, জবেদা বেগম, মধুপুর গ্রামের বিলকিছ নাহার, ফরিদপুর সদর উপজেলার বনকাইল গ্রামের আনোয়ারা বেগম, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামের আখিরন নেছা, বালিয়াকান্দি উপজেলার শালমারা গ্রামের ওয়াজেদ শেখ।

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ইতিমধ্যে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক, মহাত্ম্যা গান্ধী পুরস্কার, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বর্ণপদকসহ পাঁচটি পুরস্কার। ব্যক্তিজীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক খায়রুল বাশার খান ১৯৮০ সালের ১ জুন আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। এখন অবসর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে যাদের চোখে ছানি পড়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন লোকজনকে খুঁজে বের করে ছানি অপারেশন করান নিজ খরচে। অবশ্য তাকে এ-কাজে সহযোগিতা করেন তার জামাতা খন্দকার শামীম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে একটু ছাড় দেন। তা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করেন তিনি। জটিল রোগে যারা আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তাও দেন খায়রুল বাশার খান।

 খায়রুল বাশার খান বলেন, টাকার অভাবে একজন মানুষ ধীরে ধীরে চোখের আলো হারিয়ে ফেলবে, এটা হতে পারে না। তাই তিনি মানুষকে সহায়তা করেন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর এখন পুরোপুরি সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। সমাজসেবাতেই তার আনন্দ। যতদিন বেচে থাকবেন এ সেবা প্রদান অব্যহত রাখার অঙ্গিকার করেন।