Dhaka ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রণোদনা বোনাসে শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারল বাংলাদেশ বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ধাক্কা মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকির ভিত্তি নেই : র‍্যাব দেশে আইনের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে : পর্যটনমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাজবাড়ীতে ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিত, আটক ২ মৃগী ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা অব্যাহত রেখেছেন প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই

জাতীয় শোক দিবস, ২০২০ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের বাণী

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০
  • / 548

১৫ আগস্ট ২০২০ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ । বাঙালি জাতির সবচাইতে হদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনের কালরাত্রিতে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা। স্বাধীনতা বিরোধী কিছু উচ্ছৃঙ্খল কুচক্রীদের হাতে প্রাণ দিয়েছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

নৃশংস ওই ঘটনায় বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন আরো যারা  প্রাণ দিয়েছিলেন তারা হলেন: জাতির পিতার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল। খুনিদের বুলেটে সেদিন আরো প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ, রিন্টু খানসহ অনেকে।

শোকাবহ এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি। একই সাথে  জাতীয় শোক দিবসে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে সে-দিনের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

চক্রান্তকারী ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তাঁর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের, আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে চেয়েছিল । কিন্তু তারা তা পারেনি বরং এদেশের নতুন প্রজন্ম আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়েছে বলে বাংলাদেশ আজ একটি সুখী-সমৃদ্ধ, জ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক দেশ হিসাবে এগিয়ে চলেছে। বর্তমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০২১ সালে সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

আসুন, জাতির পিতাকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলে আত্মনিয়োগ করি।

 

( দিলসাদ বেগম )

জেলা প্রশাসক

রাজবাড়ী।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাতীয় শোক দিবস, ২০২০ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের বাণী

প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০

১৫ আগস্ট ২০২০ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ । বাঙালি জাতির সবচাইতে হদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনের কালরাত্রিতে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা। স্বাধীনতা বিরোধী কিছু উচ্ছৃঙ্খল কুচক্রীদের হাতে প্রাণ দিয়েছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

নৃশংস ওই ঘটনায় বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন আরো যারা  প্রাণ দিয়েছিলেন তারা হলেন: জাতির পিতার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল। খুনিদের বুলেটে সেদিন আরো প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ, রিন্টু খানসহ অনেকে।

শোকাবহ এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি। একই সাথে  জাতীয় শোক দিবসে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে সে-দিনের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

চক্রান্তকারী ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তাঁর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের, আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে চেয়েছিল । কিন্তু তারা তা পারেনি বরং এদেশের নতুন প্রজন্ম আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়েছে বলে বাংলাদেশ আজ একটি সুখী-সমৃদ্ধ, জ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক দেশ হিসাবে এগিয়ে চলেছে। বর্তমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০২১ সালে সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

আসুন, জাতির পিতাকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলে আত্মনিয়োগ করি।

 

( দিলসাদ বেগম )

জেলা প্রশাসক

রাজবাড়ী।