Dhaka ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নেপালে বন্যার্তদের ১০ লাখ মার্কিন ডলার ত্রাণ সহায়তা দিল বাংলাদেশ পুরান ঢাকায় জবি শিক্ষার্থীদের কষ্টের দ্বিতীয় উদাহরণ পৃথিবীতে নেই: উপাচার্য হাসপাতালে কৃষিমন্ত্রীর ক্ষোভ, ‘হারপিক নিয়ে আসেন আমি ক্লিন করবো’ জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় হকার বসতে দেওয়া হবে না : ডিএসসিসি প্রশাসক যে শর্তে পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে বসতে প্রস্তুত ট্রাম্প দুই হত্যা মামলা: রিয়াজের আগাম জামিন আবেদন নাকচ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা বিসিবির ধামইরহাটে হত্যা মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৫ আসামি গ্রেফতার নওগাঁয় দুই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মামলা, জরিমানা ২২ হাজার টাকা

পুরান ঢাকায় জবি শিক্ষার্থীদের কষ্টের দ্বিতীয় উদাহরণ পৃথিবীতে নেই: উপাচার্য

জবি প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ১১:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার প্রতিকূল পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা যেভাবে কষ্ট করে পড়াশোনা করছেন, তার দ্বিতীয় উদাহরণ সম্ভবত পৃথিবীতে নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মেধাবী হলের অডিটোরিয়ামে ‘মেধাবী আউটডোর ইভেন্ট ২.০’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ও ফটোগ্রাফি কনটেস্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘তোমরা সম্ভাবনাময় তরুণ, তোমরাই আশার আলো। মেধাবী হলে থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবে। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত মেধাবী প্রকল্প তোমাদের জন্য রহমত ও নিয়ামত। মেধাবী হল থেকে বের হয়ে তোমরা সমাজের সম্পদ ও অনুকরণীয় আদর্শ হবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে? তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি ২১ হাজার শিক্ষার্থীর চেয়ে এগিয়ে আছো। এই সুযোগ অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।’

জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানে অবদান রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে মেধাবী হল-১-এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, ‘তোমরা যে সুযোগ পেয়েছো, এটা সৌভাগ্যের বিষয়। পরিশ্রম ও দুঃখ-কষ্ট ছাড়া জীবনে সার্থকতা আসে না। তোমরা কাজের মাধ্যমে নিজেদের তা প্রমাণ করবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আজম খান, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক তারিক বিন আতিক, মেধাবী হলের ইনচার্জ মোহাম্মদ মামুনুর রশিদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়ুন আহমেদ। ফটোগ্রাফি কনটেস্টে প্রথম হয়েছেন ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিম রানা। এ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন মাহাদি হাসান নাঈম ও মো. বাদল মিয়া।

এ ছাড়া ইমামতি, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত মেধাবী প্রকল্পে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের আবাসনের পাশাপাশি বিসিএস, আইইএলটিএসসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পুরান ঢাকায় জবি শিক্ষার্থীদের কষ্টের দ্বিতীয় উদাহরণ পৃথিবীতে নেই: উপাচার্য

প্রকাশের সময় : ১১:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার প্রতিকূল পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা যেভাবে কষ্ট করে পড়াশোনা করছেন, তার দ্বিতীয় উদাহরণ সম্ভবত পৃথিবীতে নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মেধাবী হলের অডিটোরিয়ামে ‘মেধাবী আউটডোর ইভেন্ট ২.০’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ও ফটোগ্রাফি কনটেস্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘তোমরা সম্ভাবনাময় তরুণ, তোমরাই আশার আলো। মেধাবী হলে থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবে। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত মেধাবী প্রকল্প তোমাদের জন্য রহমত ও নিয়ামত। মেধাবী হল থেকে বের হয়ে তোমরা সমাজের সম্পদ ও অনুকরণীয় আদর্শ হবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে? তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি ২১ হাজার শিক্ষার্থীর চেয়ে এগিয়ে আছো। এই সুযোগ অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।’

জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানে অবদান রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে মেধাবী হল-১-এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, ‘তোমরা যে সুযোগ পেয়েছো, এটা সৌভাগ্যের বিষয়। পরিশ্রম ও দুঃখ-কষ্ট ছাড়া জীবনে সার্থকতা আসে না। তোমরা কাজের মাধ্যমে নিজেদের তা প্রমাণ করবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আজম খান, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক তারিক বিন আতিক, মেধাবী হলের ইনচার্জ মোহাম্মদ মামুনুর রশিদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়ুন আহমেদ। ফটোগ্রাফি কনটেস্টে প্রথম হয়েছেন ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিম রানা। এ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন মাহাদি হাসান নাঈম ও মো. বাদল মিয়া।

এ ছাড়া ইমামতি, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত মেধাবী প্রকল্পে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের আবাসনের পাশাপাশি বিসিএস, আইইএলটিএসসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।