Dhaka ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে খালি পায়ে ম্যারাথন জিতলেন মা বিপিএলে ফিক্সিং : সাবেক পরিচালকসহ তিনজন নিষিদ্ধ যশোরের শার্শায় দুই শিশু পুত্রকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা মায়ের বিচার চাইতে গিয়ে হুমকি-হয়রানির অভিযোগ জাবি শিক্ষার্থীর কালীগঞ্জে এসটিপি পদ্ধতিতে আখ চাষ ও আগাম রোপণ বাড়াতে চাষি উদ্বুদ্ধকরণ চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১০০ ছাড়াল এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও নতুন পে-স্কেলে বেতন পাবেন ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ট্রেজারারকে সাদা দল ও ইউট্যাবের অভিনন্দন সাপাহারে ৫০০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেফতার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৬৫.১০%

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 28

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৪ সালের অনার্স ফাইনাল ইয়ার (চতুর্থ বর্ষ) পরীক্ষার ফলাফল মাত্র ৪৭ কর্মদিবসে প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এত কম সময়ে ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে, গত বছর অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার ফল প্রকাশে সময় লেগেছিল ৮৯ দিন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দফতর থেকে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৮৮১টি কলেজের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৫.১০%। পরীক্ষার্থীরা আজ বিকেল ৫টা থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল বিষয়ক ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে পারবেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ৪৭ কর্মদিবসের মধ্যে অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার ফল প্রকাশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন দৃষ্টান্ত। শিক্ষার্থীদের সময় ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করাই আমাদের লক্ষ্য। এই অর্জনের পেছনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, পরীক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টা রয়েছে। এ ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অনার্স ফাইনাল ইয়ার (চতুর্থ বর্ষ) পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল ২০২৬ শুরু হয়ে ১৫ জুন ২০২৬ শেষ হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মাত্র ৪৭ কর্মদিবসের মধ্যে ফল প্রকাশের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ও ফলাফল ব্যবস্থাপনায় দ্রুততা ও দক্ষতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ধরনের অসংগতি বা ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা প্রয়োজনে ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৬৫.১০%

প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৪ সালের অনার্স ফাইনাল ইয়ার (চতুর্থ বর্ষ) পরীক্ষার ফলাফল মাত্র ৪৭ কর্মদিবসে প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এত কম সময়ে ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে, গত বছর অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার ফল প্রকাশে সময় লেগেছিল ৮৯ দিন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দফতর থেকে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৮৮১টি কলেজের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৫.১০%। পরীক্ষার্থীরা আজ বিকেল ৫টা থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল বিষয়ক ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে পারবেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ৪৭ কর্মদিবসের মধ্যে অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার ফল প্রকাশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন দৃষ্টান্ত। শিক্ষার্থীদের সময় ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করাই আমাদের লক্ষ্য। এই অর্জনের পেছনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, পরীক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টা রয়েছে। এ ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অনার্স ফাইনাল ইয়ার (চতুর্থ বর্ষ) পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল ২০২৬ শুরু হয়ে ১৫ জুন ২০২৬ শেষ হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মাত্র ৪৭ কর্মদিবসের মধ্যে ফল প্রকাশের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ও ফলাফল ব্যবস্থাপনায় দ্রুততা ও দক্ষতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ধরনের অসংগতি বা ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা প্রয়োজনে ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।