Dhaka ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভাষার আলোয় মেধার উচ্ছ্বাস, রাজবাড়ী একাডেমির উদ্যোগে প্রাক বাংলা উৎসব বিভ্রান্তি ও হঠকারিতার রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে দেশ স্বাধীন হতো না, তিনি স্বাধীনতার স্থপতি: আসিফ নজরুল ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বেনাপোল-পেট্রাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ নওগাঁর ধামইরহাট থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার বিএনপি ৩১ দফা দেয়, পূরণ করে ৩২ দফা পর্যন্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নওগাঁয় খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত ঝিনাইদহে নিখোঁজের তিনদিন পর নদী থেকে রমজানের মরদেহ উদ্ধার দেশমাতার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী

নওগাঁয় খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

খোরশেদ আলম, নওগাঁ:
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 9

নওগাঁর ১০ উপজেলায় ১৩টি খাল খনন ও পুনঃখনন শেষে বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে জেলা প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে সরকারি অর্থের বড় একটি অংশ ফেরত দেওয়ায় জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে নওগাঁর ১০ উপজেলার ১৩টি মৃতপ্রায় খাল খনন ও পুনঃখননের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে অধিকাংশ খালে পানি জমায় স্থানীয়রা কৃষিকাজ, মাছ ধরা ও হাঁস পালনে তা ব্যবহার করছেন। খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির পরিবেশবান্ধব গাছও রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি খননকাজে স্থানীয় বেকার ও অসহায় মানুষের মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, সদর উপজেলার শ্যামপুর মেইন রাস্তা হয়ে হরিপুর থেকে কালুপাড়া বিল অভিমুখে ১ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৭১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫২ লাখ ৪৫ হাজার ৭২৮ টাকা। অব্যয়িত ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ১৫১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। হামড়ার বিল থেকে কৃষ্ণপুর অভিমুখে ২ দশমিক ০৪০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৯০ লাখ ৪২ হাজার ১৫ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৫ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০ টাকা।

রাণীনগর উপজেলার দেওলা বড়গাছা ব্রিজ থেকে মালশন গিরিগ্রাম অভিমুখে ৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৭২ লাখ ৬০ হাজার ৯৩২ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯১০ টাকা।

আত্রাই উপজেলার নওদাপাড়া সিংসাড়া খাল থেকে শুকচারা মাঠ অভিমুখে ১ দশমিক ১৪০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬২৬ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৬২৬ টাকা।

বদলগাছি উপজেলায় চাঁপাইনগর বাছিরের বাড়ি থেকে আধাইপুরের শেষ মাথা পর্যন্ত ৭৫০ মিটার খাল পুনঃখননে ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৩৯ লাখ ৮০ হাজার ৬০৫ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯০ টাকা। এছাড়া ঢেঁকড়া সফির জমি থেকে খোর্দ্দভূবন ব্রিজ পর্যন্ত ১ দশমিক ২ কিলোমিটার খাল সংস্কারে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৮ লাখ ২৯ হাজার ৬৩২ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ২৮ লাখ ৯৯ হাজার ২১০ টাকা। এ উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মহাদেবপুর উপজেলার নারায়ণপুর ব্রিজ থেকে কুড়াইল গ্রামের শেষ মাথা পর্যন্ত ২ দশমিক ৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৪৪৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৬ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১২ লাখ ৫০ হাজার ৯৪৯ টাকা।

মান্দা উপজেলার হারকিশোর মৌজার বিল উথরাইল ব্রিজ থেকে বাদলঘাটা ব্রিজ পর্যন্ত ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৫৪ লাখ ১১ হাজার ৪৮০ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫৪ লাখ ১ হাজার ১৫৩ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ৩২৭ টাকা। অন্যদিকে বাঁকাপুর দফাদার মোড় থেকে বিল উথরাইল পর্যন্ত ২ দশমিক ১ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৫৪ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৭ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৩ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ২০ হাজার ২০৪ টাকা।

তবে মান্দার ওই দুটি খাল খননে অনিয়মের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, খননকাজ দায়সারাভাবে শেষ করা হয়েছে।

পোরশা উপজেলার ইলাম মৌজার মাক্তাপুর মোড় থেকে হাতিখোচা বিল অভিমুখে ৩ দশমিক ২৫০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৮ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪৯ টাকা।

নিয়ামতপুর উপজেলার বিষ্ণুপুর বাবুল হাজীর জমি থেকে বিষ্ণুপুর ব্রিজ হয়ে সন্তোষপাড়া ছাতড়া ব্রিজ পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ৪১৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬৫৭ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা।

পত্নীতলা উপজেলার চক আবদাল ইটভাটার কাছ থেকে পত্নীতলা আবেদিয়া স্লুইসগেট অভিমুখে ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার খাল খননে ৫৪ লাখ ৬৮ হাজার ১২৬ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ৫২৬ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খননকাজ শেষ করে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নওগাঁয় খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

প্রকাশের সময় : ০৪:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

নওগাঁর ১০ উপজেলায় ১৩টি খাল খনন ও পুনঃখনন শেষে বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে জেলা প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে সরকারি অর্থের বড় একটি অংশ ফেরত দেওয়ায় জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে নওগাঁর ১০ উপজেলার ১৩টি মৃতপ্রায় খাল খনন ও পুনঃখননের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে অধিকাংশ খালে পানি জমায় স্থানীয়রা কৃষিকাজ, মাছ ধরা ও হাঁস পালনে তা ব্যবহার করছেন। খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির পরিবেশবান্ধব গাছও রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি খননকাজে স্থানীয় বেকার ও অসহায় মানুষের মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, সদর উপজেলার শ্যামপুর মেইন রাস্তা হয়ে হরিপুর থেকে কালুপাড়া বিল অভিমুখে ১ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৭১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫২ লাখ ৪৫ হাজার ৭২৮ টাকা। অব্যয়িত ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ১৫১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। হামড়ার বিল থেকে কৃষ্ণপুর অভিমুখে ২ দশমিক ০৪০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৯০ লাখ ৪২ হাজার ১৫ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৫ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০ টাকা।

রাণীনগর উপজেলার দেওলা বড়গাছা ব্রিজ থেকে মালশন গিরিগ্রাম অভিমুখে ৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৭২ লাখ ৬০ হাজার ৯৩২ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯১০ টাকা।

আত্রাই উপজেলার নওদাপাড়া সিংসাড়া খাল থেকে শুকচারা মাঠ অভিমুখে ১ দশমিক ১৪০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬২৬ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৬২৬ টাকা।

বদলগাছি উপজেলায় চাঁপাইনগর বাছিরের বাড়ি থেকে আধাইপুরের শেষ মাথা পর্যন্ত ৭৫০ মিটার খাল পুনঃখননে ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৩৯ লাখ ৮০ হাজার ৬০৫ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯০ টাকা। এছাড়া ঢেঁকড়া সফির জমি থেকে খোর্দ্দভূবন ব্রিজ পর্যন্ত ১ দশমিক ২ কিলোমিটার খাল সংস্কারে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৮ লাখ ২৯ হাজার ৬৩২ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ২৮ লাখ ৯৯ হাজার ২১০ টাকা। এ উপজেলাতেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মহাদেবপুর উপজেলার নারায়ণপুর ব্রিজ থেকে কুড়াইল গ্রামের শেষ মাথা পর্যন্ত ২ দশমিক ৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৪৪৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৬ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১২ লাখ ৫০ হাজার ৯৪৯ টাকা।

মান্দা উপজেলার হারকিশোর মৌজার বিল উথরাইল ব্রিজ থেকে বাদলঘাটা ব্রিজ পর্যন্ত ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৫৪ লাখ ১১ হাজার ৪৮০ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫৪ লাখ ১ হাজার ১৫৩ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ৩২৭ টাকা। অন্যদিকে বাঁকাপুর দফাদার মোড় থেকে বিল উথরাইল পর্যন্ত ২ দশমিক ১ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৫৪ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৭ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৩ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ২০ হাজার ২০৪ টাকা।

তবে মান্দার ওই দুটি খাল খননে অনিয়মের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, খননকাজ দায়সারাভাবে শেষ করা হয়েছে।

পোরশা উপজেলার ইলাম মৌজার মাক্তাপুর মোড় থেকে হাতিখোচা বিল অভিমুখে ৩ দশমিক ২৫০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৮ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ১২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪৯ টাকা।

নিয়ামতপুর উপজেলার বিষ্ণুপুর বাবুল হাজীর জমি থেকে বিষ্ণুপুর ব্রিজ হয়ে সন্তোষপাড়া ছাতড়া ব্রিজ পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখননে ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ৪১৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৫৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬৫৭ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা।

পত্নীতলা উপজেলার চক আবদাল ইটভাটার কাছ থেকে পত্নীতলা আবেদিয়া স্লুইসগেট অভিমুখে ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার খাল খননে ৫৪ লাখ ৬৮ হাজার ১২৬ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ৫২৬ টাকা। ফেরত দেওয়া হয়েছে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খননকাজ শেষ করে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।