ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ: ইসি সচিব
- প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / 16
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা শিডিউল এখনো ঠিক হয়নি। আমরা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে অনুরোধ করেছি, এখনো তালিকা পাইনি। ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকাল তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি এবং আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এতে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সীমা সম্পার্কে তিনি বলেন, সাধারণত তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও অন্যান্য প্রস্তুতির জন্য একটি ‘ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন’ বা উল্টো গণনা করে সময় নির্ধারণ করা হয়। আমাদের প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট এবং ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত আছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাট-অফ পয়েন্ট প্রয়োজনে বাড়ানো হতে পারে। আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি যাতে ঘোষণা আসার সাথে সাথেই কাজ শুরু করা যায়।
ইসি সচিব জানান, এনআইডি সংশোধনের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট এসওপি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, আবেদনকারী যে বয়স দাবি করছেন তাতে তিনি সাত-আট বছর বয়সেই ভোটার হয়ে গিয়েছিলেন, যা আইনত ও যৌক্তিকভাবে অসম্ভব। এছাড়া একজনের ছবি ও তথ্য দিয়ে অন্যজনের ভোটার হওয়ার মতো জালিয়াতির ঘটনাও ধরা পড়ছে। এনআইডি, পাসপোর্ট এবং জন্ম নিবন্ধনের তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি।
তিনি বলেন, বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে যেমন- জেএসসি, পিএসসি বা এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী সংশোধন করা যাবে। কিন্তু দেখা যায়, অনেকে বেশি বয়সে বয়স কমিয়ে এসএসসি করেছেন। এখন নিবন্ধনের সাথে অ্যাডজাস্ট করতে গেলে দেখা যায় তিনি সাত-আট বছর বয়সে ভোটার হয়েছেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট সম্পার্কে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ জুলাই। যেহেতু ৩১ জুলাই শুক্রবার ছিল, তাই ২ আগস্ট পর্যন্ত আমরা গ্রহণ করেছি। আমাদের ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং আটটি দল কোনো সাড়া দেয়নি। যারা সাড়া দেয়নি তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে।





















