Dhaka ০৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতোর মালা, নিন্দা ও ক্ষোভ ‘জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার’ ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশিদের শ্রম ভিসা সাময়িক বন্ধ করল লাওস

ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / 66

রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে নতুন একটি দ্বিদলীয় বিল মার্কিন সিনেটে বিপুল সমর্থনে পাস হয়েছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।

প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের স্মরণে নামাঙ্কিত বিলটি সিনেটে ৮৬-১২ ভোটে পাস হয়েছে। এতে প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতা দেশগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি ইরানের জ্বালানি ও অস্ত্র খাতে অর্থায়ন সীমিত করতে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এছাড়া রাশিয়ার সরকারি কর্মকর্তা, প্রভাবশালী ধনকুবের, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া ট্যাংকারগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। বিলটির উদ্দেশ্য রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি থেকে অর্জিত আয় কমিয়ে দেশটির যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দুর্বল করা।

তবে যেসব দেশ তাদের মোট প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির ১৫ শতাংশের কম রাশিয়া থেকে সংগ্রহ করে এবং সেই নির্ভরতা আরও কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে, তাদের জন্য কিছুটা শিথিলতার সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ক্যাপিটল হিল সফরের সময় বিলটি সিনেটে অনুমোদন পায়। যদিও ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের বেশিরভাগ সদস্য বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তবু কয়েকজন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টকে এত বড় শুল্ক আরোপের একক ক্ষমতা দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এতে মার্কিন বাজারে পণ্যের দাম বাড়তে পারে এবং ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে।

তবে বিলটি এখনো আইনে পরিণত হয়নি। সিনেটে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি প্রতিনিধি পরিষদে পাঠানো হবে। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ গ্রীষ্মকালীন বিরতিতে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরের আগে বিলটি সেখানে উত্থাপনের সম্ভাবনা কম।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে নতুন একটি দ্বিদলীয় বিল মার্কিন সিনেটে বিপুল সমর্থনে পাস হয়েছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।

প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের স্মরণে নামাঙ্কিত বিলটি সিনেটে ৮৬-১২ ভোটে পাস হয়েছে। এতে প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতা দেশগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি ইরানের জ্বালানি ও অস্ত্র খাতে অর্থায়ন সীমিত করতে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এছাড়া রাশিয়ার সরকারি কর্মকর্তা, প্রভাবশালী ধনকুবের, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া ট্যাংকারগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। বিলটির উদ্দেশ্য রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি থেকে অর্জিত আয় কমিয়ে দেশটির যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দুর্বল করা।

তবে যেসব দেশ তাদের মোট প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির ১৫ শতাংশের কম রাশিয়া থেকে সংগ্রহ করে এবং সেই নির্ভরতা আরও কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে, তাদের জন্য কিছুটা শিথিলতার সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ক্যাপিটল হিল সফরের সময় বিলটি সিনেটে অনুমোদন পায়। যদিও ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের বেশিরভাগ সদস্য বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তবু কয়েকজন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্টকে এত বড় শুল্ক আরোপের একক ক্ষমতা দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এতে মার্কিন বাজারে পণ্যের দাম বাড়তে পারে এবং ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে।

তবে বিলটি এখনো আইনে পরিণত হয়নি। সিনেটে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি প্রতিনিধি পরিষদে পাঠানো হবে। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ গ্রীষ্মকালীন বিরতিতে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরের আগে বিলটি সেখানে উত্থাপনের সম্ভাবনা কম।