রাজধানীতে দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করে যুবককে হত্যা
- প্রকাশের সময় : ০৮:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
- / 12
রাজধানীর সবুজবাগে পূর্বশত্রুতার জেরে পলাশ (৩৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তার দুই হাতের কব্জি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিহত পলাশ স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির একজন কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার ও স্বজনরা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ পানির পাম্পের গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পলাশের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামে। তিনি রাজধানীর সবুজবাগের মাদারটেক চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে নিহতের বন্ধু মো. হিরা জানান, পলাশ আগে একটি রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠানে প্রাইভেটকার চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বেকার ছিলেন এবং সবুজবাগ ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
তার দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এলাকার কথিত মাদককারবারি ও রিকশাচোর রয়েলসহ কয়েকজন পানির পাম্পের গলিতে পলাশকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়।
হিরা আরও জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রিকশা চুরির অভিযোগে সবুজ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হলে রয়েল তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রয়েলের সঙ্গে পলাশের কথা কাটাকাটি হয়েছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে তাদের ধারণা।
নিহতের বোন জোসনা আক্তার বলেন, প্রায় ছয় মাস আগে পলাশ মরিয়ম আক্তার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। তিনি আগে প্রাইভেটকার চালক হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে বেকার ছিলেন এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে রয়েল নামে একজনের সঙ্গে আমার ভাইয়ের মারামারি হয়েছিল। মঙ্গলবার কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা আমরা নিশ্চিত নই। তবে আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।’
সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে এসেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল কাজ করছে। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















