Dhaka ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালুখালীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ মামলার পর জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেফতার না ফেরার দেশে ‘বীরাঙ্গনা’ ফুলমতি, শেষ হলো ৪৫ বছরের স্বীকৃতির লড়াই কৌতূহলের বশে ভিমরুলের চাকে পাটখড়ির খোঁচা, কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু এসএ২০ নিলামে একমাত্র বাংলাদেশি নাহিদ রানা কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা বীর মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তি হতে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ ফরিদপুরে মেয়েকে নেশাগ্রস্ত স্বামীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা গোপন গুদামে শুল্কমুক্ত মদ মজুত, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

জাবিতে ছাত্রীদের গোপনে ছবি তোলা যুবদল নেতা মদসহ আটক, মুচলেকায় মুক্তি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জাবি
  • প্রকাশের সময় : ১১:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / 75

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুই নারী শিক্ষার্থীর গোপনে ছবি তোলার অভিযোগে লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়ে মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছেন দেবাশীষ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে আর কখনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করার অঙ্গীকারের শর্তে তাকে ছেড়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও নিরাপত্তা অফিস সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত দেবাশীষ চৌধুরী ঢাকার ধামরাই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ধামরাই উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। ঘটনার সময় তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম রেজার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন।

নিরাপত্তা অফিসে দেওয়া লিখিত স্বীকারোক্তিতে দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, “আমি বটতলায় খাওয়া-দাওয়া করেছি। খাওয়া-দাওয়া করার পরে আমি কিছু মেয়ের গোপনে ছবি তুলেছি। এই ছবিগুলো আমার তোলা ঠিক হয়নি। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আর কখনও আমি ছবি তুলতে ক্যাম্পাসে আসব না। এমনকি পুরো বাংলাদেশে আর কখনও কারও অনুমতি ছাড়া এভাবে ছবি তুলব না।”

এ সময় দেবাশীষ চৌধুরী ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি বিয়ার (মদ) উদ্ধার করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে বিয়ার (মদ) দুটি ধ্বংস করা হয়।

মুচলেকা গ্রহণের সময় নিরাপত্তা অফিসে জাবি ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সেলিম রেজাও উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “ওই ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বটতলায় এসেছিলেন। সেখানে দুই শিক্ষার্থীর ছবি তোলার অভিযোগ উঠার পর তাকে নিরাপত্তা অফিসে আনা হয়। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। তিনি নিঃশর্তে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আর কখনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত গাড়িও আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে না। এসব শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাবিতে ছাত্রীদের গোপনে ছবি তোলা যুবদল নেতা মদসহ আটক, মুচলেকায় মুক্তি

প্রকাশের সময় : ১১:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুই নারী শিক্ষার্থীর গোপনে ছবি তোলার অভিযোগে লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়ে মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছেন দেবাশীষ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে আর কখনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করার অঙ্গীকারের শর্তে তাকে ছেড়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও নিরাপত্তা অফিস সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত দেবাশীষ চৌধুরী ঢাকার ধামরাই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ধামরাই উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। ঘটনার সময় তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম রেজার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন।

নিরাপত্তা অফিসে দেওয়া লিখিত স্বীকারোক্তিতে দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, “আমি বটতলায় খাওয়া-দাওয়া করেছি। খাওয়া-দাওয়া করার পরে আমি কিছু মেয়ের গোপনে ছবি তুলেছি। এই ছবিগুলো আমার তোলা ঠিক হয়নি। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আর কখনও আমি ছবি তুলতে ক্যাম্পাসে আসব না। এমনকি পুরো বাংলাদেশে আর কখনও কারও অনুমতি ছাড়া এভাবে ছবি তুলব না।”

এ সময় দেবাশীষ চৌধুরী ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি বিয়ার (মদ) উদ্ধার করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে বিয়ার (মদ) দুটি ধ্বংস করা হয়।

মুচলেকা গ্রহণের সময় নিরাপত্তা অফিসে জাবি ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সেলিম রেজাও উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “ওই ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বটতলায় এসেছিলেন। সেখানে দুই শিক্ষার্থীর ছবি তোলার অভিযোগ উঠার পর তাকে নিরাপত্তা অফিসে আনা হয়। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। তিনি নিঃশর্তে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আর কখনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত গাড়িও আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে না। এসব শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”