বিতর্কের পরও ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে হাইড্রেশন বিরতি রাখতে চায় ফিফা
- প্রকাশের সময় : ০৪:২৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
- / 22
২০২৬ বিশ্বকাপে চালু হওয়া হাইড্রেশন বিরতি (পানি পানের বিরতি) নিয়ে সমালোচনা থাকলেও ভবিষ্যতের বিশ্বকাপেও এই নিয়ম বহাল রাখতে চায় ফিফা।
মেক্সিকো ও ইকুয়েডরের শেষ ৩২-এর ম্যাচে এ নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ম্যাচ শুরুর আগে ফিফা জানায়, বজ্রঝড়ের কারণে বিলম্বিত ওই ম্যাচে হাইড্রেশন বিরতি থাকবে না। তবে খেলা শুরু হওয়ার পর দুই অর্ধেই বিরতি দেওয়া হয়। পরে ফিফা তাদের বিবৃতি সংশোধন করে হাইড্রেশন বিরতির বিষয়টি সরিয়ে নেয়।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকের অভিযোগ, ফিফা নিজেদের ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এসব বিরতি সম্প্রচারকারীদের বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ করে দিচ্ছে।
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে প্রায় তিন মিনিটের দুটি হাইড্রেশন বিরতি রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, উত্তর আমেরিকার আবহাওয়া ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিরতির সময় খেলোয়াড়রা পানি পান করার পাশাপাশি কোচদের কাছ থেকে কৌশলগত নির্দেশনাও নিতে পারেন।
তবে সমালোচকদের মতে, বাধ্যতামূলক এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করছে। ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল এবং নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকসহ অনেকেই মনে করেন, শুধুমাত্র প্রচণ্ড গরমের ম্যাচেই এমন বিরতি থাকা উচিত।
অন্যদিকে সাবেক লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ বলেন, খেলোয়াড়দের জন্য বিরতি উপকারী হলেও বর্তমান সময়সীমা কিছুটা বেশি। তার মতে, পানি পান করতে এত দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয় না।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সিটি এএম জানিয়েছে, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে এবং ২০৩৪ সালের আসর সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তাপমাত্রা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই টুর্নামেন্ট শেষে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হলেও ভবিষ্যতের বিশ্বকাপেও হাইড্রেশন বিরতি চালু রাখার পরিকল্পনা করছে ফিফা।






















