Dhaka ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ সাপাহারে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধবিষয়ক সচেতনতামূলক সভা কালীগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে : মাহদী আমিন প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আইন অনুষদের ডিন পদে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক, প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশসেরা জাবি রাজবাড়ীতে সরকারি কর্মচারী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 90

২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত, ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২২ জন।

ঈদযাত্রা শেষে সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট প্রাণহানির প্রায় অর্ধেকই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু এবং ৩৭ জন পথচারী রয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। ৯৫টি দুর্ঘটনায় সেখানে নিহত হয়েছেন ১০১ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে সিলেট বিভাগে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং কিশোর-তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানো দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

সংস্থাটি বলছে, প্রাণহানি কিছুটা কমলেও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা, রেল ও নৌপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে তারা।

একই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনের সুপারিশে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) শক্তিশালীকরণ, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএ-এর সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, গণপরিবহন উন্নয়ন, দক্ষ চালক তৈরি, নিরাপদ সড়ক ও রেলক্রসিং ব্যবস্থা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন সমন্বয়ে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন

প্রকাশের সময় : ১২:১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত, ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২২ জন।

ঈদযাত্রা শেষে সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট প্রাণহানির প্রায় অর্ধেকই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু এবং ৩৭ জন পথচারী রয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। ৯৫টি দুর্ঘটনায় সেখানে নিহত হয়েছেন ১০১ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে সিলেট বিভাগে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং কিশোর-তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানো দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

সংস্থাটি বলছে, প্রাণহানি কিছুটা কমলেও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা, রেল ও নৌপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে তারা।

একই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনের সুপারিশে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) শক্তিশালীকরণ, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএ-এর সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, গণপরিবহন উন্নয়ন, দক্ষ চালক তৈরি, নিরাপদ সড়ক ও রেলক্রসিং ব্যবস্থা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন সমন্বয়ে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।