Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া চলছে : চিফ প্রসিকিউটর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান পাংশা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক-ভিউয়ের নেশায় উল্টো পথে গাড়ি, প্রাণ গেল ৫ কিশোরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে : মাহদী আমিন একটি ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে সরকার: রিজভী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত সৌরবিদ্যুতে রিচার্জ না করলে ব্যাটারিচালিত রিকশার রেজিস্ট্রেশন নয় ঢাকায় মৃদু ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর শিবপুর

কুষ্টিয়ায় আম কুড়াতে গিয়ে বলাৎকারের শিকার শিশু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / 117

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের গড়েরমাঠ এলাকায় আম কুড়াতে গিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলাৎকারের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে রবিবার সকাল ১০টার দিকে একটি আমবাগানে।

ভুক্তভোগী শিশু তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ওই এলাকার এক ভ্যানচালকের ছেলে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. ওয়াহেদ আলী (৫৫)। তিনি উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের মৃত রজব আলী বিশ্বাসের ছেলে এবং ওই আমবাগানের কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে শিশুটি মাঠে ছাগল রাখতে গিয়ে পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে যায়। এ সময় অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলী তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে ঘটনাটি জানালে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মাতব্বরদের উদ্যোগে বিষয়টি নিয়ে সালিশ বৈঠক বসার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গেলে শিশুটির মা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা এখন এসব নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। সন্ধ্যায় সালিশ আছে, তখন বিস্তারিত জানা যাবে।”

এরপর সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গড়েরমাঠ এলাকায় একটি আমবাগানে পাহাড়া দিচ্ছেন অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলী। জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘ও (শিশুটি) আম কুড়াতে আইছিল। তখন আমি ওকে জড়িয় ধরি। এরপর ও নিজেই প্যান্ট খুলে। বেশিকিছু করিনি। আপনেরা আর ঝামেলা করবেন না। আজ সন্ধ্যায় সালিশ আছে। সমাধান হয়ে যাবে।’

অভিযুক্তের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীর বুদ্ধি কম। কী করে ফেলেছে, সে নিজেও বুঝতে পারে না। সন্ধ্যায় সালিশ আছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।

তবে এ ধরনের ঘটনায় সালিশের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কুষ্টিয়ায় আম কুড়াতে গিয়ে বলাৎকারের শিকার শিশু

প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের গড়েরমাঠ এলাকায় আম কুড়াতে গিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলাৎকারের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে রবিবার সকাল ১০টার দিকে একটি আমবাগানে।

ভুক্তভোগী শিশু তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ওই এলাকার এক ভ্যানচালকের ছেলে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. ওয়াহেদ আলী (৫৫)। তিনি উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের মৃত রজব আলী বিশ্বাসের ছেলে এবং ওই আমবাগানের কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে শিশুটি মাঠে ছাগল রাখতে গিয়ে পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে যায়। এ সময় অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলী তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে ঘটনাটি জানালে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মাতব্বরদের উদ্যোগে বিষয়টি নিয়ে সালিশ বৈঠক বসার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গেলে শিশুটির মা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা এখন এসব নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। সন্ধ্যায় সালিশ আছে, তখন বিস্তারিত জানা যাবে।”

এরপর সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গড়েরমাঠ এলাকায় একটি আমবাগানে পাহাড়া দিচ্ছেন অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলী। জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘ও (শিশুটি) আম কুড়াতে আইছিল। তখন আমি ওকে জড়িয় ধরি। এরপর ও নিজেই প্যান্ট খুলে। বেশিকিছু করিনি। আপনেরা আর ঝামেলা করবেন না। আজ সন্ধ্যায় সালিশ আছে। সমাধান হয়ে যাবে।’

অভিযুক্তের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীর বুদ্ধি কম। কী করে ফেলেছে, সে নিজেও বুঝতে পারে না। সন্ধ্যায় সালিশ আছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।

তবে এ ধরনের ঘটনায় সালিশের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”