কালুখালীতে ভোটার নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগ, দুই ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে শোকজ
- প্রকাশের সময় : ০৮:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / 141
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
গত ৭ মে সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। শোকজপ্রাপ্ত দুই কর্মচারী হলেন অমরেশ সরকার ও মোঃ শরীফুল ইসলাম। তারা উভয়েই কালুখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ এপ্রিল ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান পরিচালনা করা হয়।
অনুসন্ধানে অভিযোগ ওঠে, নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে অনলাইনে যাচাই না করেই ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে সহায়তা করা হয়েছে।
এছাড়া জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ বা প্রত্যয়নপত্র, নাগরিক সনদ, বিদ্যুৎ বিল এবং রক্তের গ্রুপের রিপোর্ট যাচাই ছাড়াই ভোটার নিবন্ধন সম্পন্নে সহায়তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। যা সরকারি বিধি-বিধানের পরিপন্থী এবং দায়িত্বে অবহেলার শামিল বলে নোটিশে বলা হয়েছে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভোটার তালিকার সঠিকতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ভোটার অন্তর্ভুক্তির ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
এ ঘটনায় কেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন অফিসার সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, “কালুখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসের দুইজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা লিখিত জবাব দেবেন। যদি তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”




















