Dhaka ১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মরদেহ কোলে ভাইরাল সেই যুবক শিশুটির বাবা নয়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 18

রাজধানীর মহাখালী এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে এক যুবকের কোলে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। অনেকেই দাবি করেছিলেন, ওই যুবক শিশুটির বাবা।

তবে স্বজনরা জানিয়েছেন, বিষয়টি সঠিক নয়। তিন বছর আট দিন বয়সী শিশু সাদমানের মরদেহ কোলে থাকা যুবকের নাম রাফি, যিনি সম্পর্কে শিশুটির দুলাভাই।

শিশুটির মা মিম আক্তার জানান, ছবিতে থাকা ব্যক্তি তার স্বামী সজিব নন। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে সজিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পেয়ে রাফি সেখানে যান এবং দ্রুত মরদেহ নিয়ে বের হওয়ার সময় ছবিটি তোলা হয়। সিএনজি খোঁজার ওই সময়েই কেউ ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, যা পরে ভুল পরিচয়ে ভাইরাল হয়।

জানা গেছে, কামরাঙ্গীরচর থেকে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মরদেহ কোলে ভাইরাল সেই যুবক শিশুটির বাবা নয়

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মহাখালী এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে এক যুবকের কোলে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। অনেকেই দাবি করেছিলেন, ওই যুবক শিশুটির বাবা।

তবে স্বজনরা জানিয়েছেন, বিষয়টি সঠিক নয়। তিন বছর আট দিন বয়সী শিশু সাদমানের মরদেহ কোলে থাকা যুবকের নাম রাফি, যিনি সম্পর্কে শিশুটির দুলাভাই।

শিশুটির মা মিম আক্তার জানান, ছবিতে থাকা ব্যক্তি তার স্বামী সজিব নন। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে সজিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পেয়ে রাফি সেখানে যান এবং দ্রুত মরদেহ নিয়ে বের হওয়ার সময় ছবিটি তোলা হয়। সিএনজি খোঁজার ওই সময়েই কেউ ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, যা পরে ভুল পরিচয়ে ভাইরাল হয়।

জানা গেছে, কামরাঙ্গীরচর থেকে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।