Dhaka ০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

কালুখালীতে বাক প্রতিবন্ধী যুবতী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যে

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 16

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ২২ বছর বয়সী এক বাক প্রতিবন্ধী যুবতীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই যুবতী উপজেলার চাঁদপুর এলাকার এক কবিরাজের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুবতীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যুবতীকে দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

পরবর্তীতে গত ১ এপ্রিল যুবতীর বাবা তাকে রাজবাড়ীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, তিনি প্রায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের সন্দেহের তীর ফজলু নামের এক ব্যক্তির দিকে। এলাকাবাসীর দাবি, ফজলু প্রায়ই কবিরাজের বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আখের আলী জানান, “ফজলু সময়ে-অসময়ে ওই বাড়িতে থাকত। শুরু থেকেই তাকে সন্দেহ করা হচ্ছিল। এখন সে পালিয়ে যাওয়ায় সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।”

অন্যদিকে, রতনদিয়া এলাকায় ফজলুর বাড়িতে গিয়ে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া গেছে। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মীরা রানী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার আশঙ্কায় ফজলু প্রায় ছয় দিন আগে ফরিদপুরে পালিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ফজলুর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা সে বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত করেনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালীতে বাক প্রতিবন্ধী যুবতী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যে

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ২২ বছর বয়সী এক বাক প্রতিবন্ধী যুবতীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই যুবতী উপজেলার চাঁদপুর এলাকার এক কবিরাজের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুবতীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যুবতীকে দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

পরবর্তীতে গত ১ এপ্রিল যুবতীর বাবা তাকে রাজবাড়ীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, তিনি প্রায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের সন্দেহের তীর ফজলু নামের এক ব্যক্তির দিকে। এলাকাবাসীর দাবি, ফজলু প্রায়ই কবিরাজের বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আখের আলী জানান, “ফজলু সময়ে-অসময়ে ওই বাড়িতে থাকত। শুরু থেকেই তাকে সন্দেহ করা হচ্ছিল। এখন সে পালিয়ে যাওয়ায় সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।”

অন্যদিকে, রতনদিয়া এলাকায় ফজলুর বাড়িতে গিয়ে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া গেছে। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মীরা রানী জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার আশঙ্কায় ফজলু প্রায় ছয় দিন আগে ফরিদপুরে পালিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ফজলুর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা সে বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত করেনি।