Dhaka ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাপে কাটা যুবকের মরদেহ নিয়ে ঝাঁড়ফুক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:২২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 217

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সাপে কাটা যুবকের মরদেহ দাফন না করে ঝাঁড়ফুক দিয়ে জীবিত করার চেষ্টা করছে গ্রাম্য ওঝারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা এইচএম সায়েমকে (২৮) সাপে কামড় দেয়। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সায়েম কালিকাপুর গ্রামের রাজমাথা এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালক ছিলেন।

ঘটনাস্থলে থাকা প্রতিবেশি মো. আরিফ বলেন, রাত একটার দিকে কাভার্ডভ্যান পার্কিং করে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে রওনা দেয়। উপজেলার চাঁদপাশা ও রহমতপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভাঙ্গা বুনিয়া খাল এলাকায় তাকে সাপে কামড় দেয়। বাড়ি পৌঁছে বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে সায়েম।

পরে গভীর রাতে তাকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে পরপর দুইবার এন্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।

আরিফ আরও জানান, সকালে বাড়ি নিয়ে আসার পর স্বজনরা মরদেহ উঠানে রেখে সাপুড়ে ও ওঝা এনে ঝাঁড়ফুক শুরু করে। বিকাল পর্যন্ত ৮ জন ঝাড়ফুক দিয়েছেন। কিন্তু সায়েমকে জীবিত করতে পারেনি তারা। সর্বশেষ বিকেলে ঢাকা থেকে একজন ওঝা নিয়ে এসেছেন। বর্তমানে তিনি ঝাড়ফুক দিচ্ছেন। পাশাপাশি তারাও কবর খুড়েছেন।

আরিফ বলেন, জীবিত করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। বর্তমানে মরদেহের অবস্থা ভালো নয়। তবুও স্বজনরা চেষ্টা করছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সাপে কাটা যুবকের মরদেহ নিয়ে ঝাঁড়ফুক

প্রকাশের সময় : ০৮:২২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সাপে কাটা যুবকের মরদেহ দাফন না করে ঝাঁড়ফুক দিয়ে জীবিত করার চেষ্টা করছে গ্রাম্য ওঝারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা এইচএম সায়েমকে (২৮) সাপে কামড় দেয়। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সায়েম কালিকাপুর গ্রামের রাজমাথা এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালক ছিলেন।

ঘটনাস্থলে থাকা প্রতিবেশি মো. আরিফ বলেন, রাত একটার দিকে কাভার্ডভ্যান পার্কিং করে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে রওনা দেয়। উপজেলার চাঁদপাশা ও রহমতপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভাঙ্গা বুনিয়া খাল এলাকায় তাকে সাপে কামড় দেয়। বাড়ি পৌঁছে বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে সায়েম।

পরে গভীর রাতে তাকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে পরপর দুইবার এন্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।

আরিফ আরও জানান, সকালে বাড়ি নিয়ে আসার পর স্বজনরা মরদেহ উঠানে রেখে সাপুড়ে ও ওঝা এনে ঝাঁড়ফুক শুরু করে। বিকাল পর্যন্ত ৮ জন ঝাড়ফুক দিয়েছেন। কিন্তু সায়েমকে জীবিত করতে পারেনি তারা। সর্বশেষ বিকেলে ঢাকা থেকে একজন ওঝা নিয়ে এসেছেন। বর্তমানে তিনি ঝাড়ফুক দিচ্ছেন। পাশাপাশি তারাও কবর খুড়েছেন।

আরিফ বলেন, জীবিত করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। বর্তমানে মরদেহের অবস্থা ভালো নয়। তবুও স্বজনরা চেষ্টা করছেন।