Dhaka ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দিল্লিতে বিমানবন্দরের রানওয়েতে দুই বিমানের সংঘর্ষ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ স্থায়ী শান্তিচুক্তির পরিবর্তে অস্থায়ী সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, জড়িত সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা হোয়াইট হাউসে শান্তি সংলাপে বসবে ইসরায়েল-লেবানন : ট্রাম্প মাত্র ৬ সপ্তাহ চলার মতো জেট ফুয়েল অবশিষ্ট আছে ইউরোপের আবারো সবজির বাজার চড়া, বেশিরভাগের দাম ১০০ টাকার বেশি লেবানন-ইসরায়েলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতাকে গুলি করে হত্যা, গুলিবিদ্ধ ২ বোন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ড, তিন পেসারে একাদশ সাজাল বাংলাদেশ

ভারতে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা অমিত শাহর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 9

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাবরের নামে কোনো মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় এলে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটায় এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে উদ্দেশ করে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।

অমিত শাহ বলেন, মমতা দিদি, আপনি কান খুলে শুনে রাখুন— আপনি এবং আপনার ভাতিজা যতই চেষ্টা করুন না কেন, এই বাংলা ভারতের ভূমি। স্বামী বিবেকানন্দের এই পবিত্র মাটিতে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।

তিনি দাবি করেন, রাম মন্দির নির্মাণ দীর্ঘদিন বাধাগ্রস্ত রাখতে বিভিন্ন শক্তি কাজ করেছে। তবে ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটে এবং রাম মন্দির নির্মাণ সম্ভব হয়।

এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীর বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেন এবং বেলডাঙা এলাকায় এর কাজ শুরুর দাবি ওঠে। এ প্রেক্ষাপটেই অমিত শাহ এ মন্তব্য করেন।

জনসভায় উপস্থিতদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আপনারা কি এখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ মেনে নেবেন?” এ সময় জনতার সাড়া নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ত্রিপুরা, আসাম ও বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি সরকার গঠন করলে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাধ্যমে অনুপ্রবেশ ঠেকানো হবে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।

এছাড়া তিনি দাবি করেন, মোদি সরকারের আমলে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকসহ বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে, যা আগের সরকারগুলো করতে পারেনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভারতে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা অমিত শাহর

প্রকাশের সময় : ০২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাবরের নামে কোনো মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় এলে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটায় এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে উদ্দেশ করে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।

অমিত শাহ বলেন, মমতা দিদি, আপনি কান খুলে শুনে রাখুন— আপনি এবং আপনার ভাতিজা যতই চেষ্টা করুন না কেন, এই বাংলা ভারতের ভূমি। স্বামী বিবেকানন্দের এই পবিত্র মাটিতে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।

তিনি দাবি করেন, রাম মন্দির নির্মাণ দীর্ঘদিন বাধাগ্রস্ত রাখতে বিভিন্ন শক্তি কাজ করেছে। তবে ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটে এবং রাম মন্দির নির্মাণ সম্ভব হয়।

এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীর বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেন এবং বেলডাঙা এলাকায় এর কাজ শুরুর দাবি ওঠে। এ প্রেক্ষাপটেই অমিত শাহ এ মন্তব্য করেন।

জনসভায় উপস্থিতদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আপনারা কি এখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ মেনে নেবেন?” এ সময় জনতার সাড়া নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ত্রিপুরা, আসাম ও বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি সরকার গঠন করলে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মাধ্যমে অনুপ্রবেশ ঠেকানো হবে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।

এছাড়া তিনি দাবি করেন, মোদি সরকারের আমলে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকসহ বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে, যা আগের সরকারগুলো করতে পারেনি।