অ্যালেনের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
- প্রকাশের সময় : ০৯:২৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
- / 149
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইডেনে প্রোটিয়া বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন দুই কিউই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন। সেইফার্টকে ফিফটির পর থামাতে পারলেও অ্যালেনকে কিছুতেই আটকানো যায়নি। সেমিফাইনালের মতো হাই ভোল্টেজ ম্যাচে এসে ৩৩ বলে অপরাজিত সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। যা টেস্ট খেলুড়ে দুটি দেশের মধ্যে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। অ্যালেনের এমন অতিমানবীয় ইনিংসে উড়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ফাইনালের টিকিট পেয়েছে নিউজিল্যান্ড।
ইডেনে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫৫ রান করেন জানসেন। জবাবে ১২ ওভার ৫ বলে এক উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।
ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন অ্যালেন ও সেইফার্ট। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ক্যাচ দিয়েছিলেন সেইফার্ট, তবে সেটি মিস করেন উইকেটকিপার ডি কক। এরপর দুই প্রান্ত থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং করেন দুই কিউই ওপেনার।
পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। ২৫ বলে ফিফটি করেন সেইফার্ট। পরে ৩৩ বলে ৫৮ রানে থামেন তিনি। তার বিদায়ে ভাঙে ১১৭ রানের উদ্বোধনী জুটি।
অন্যদিকে অ্যালেন ফিফটি করেন ১৯ বলে। এরপর মাত্র ১৪ বলে তুলে নেন পরের ৫০ রান। অর্থাৎ ৩৩ বলেই তিন অঙ্ক ছুঁয়ে ফেলেন তিনি। সবমিলিয়ে ৩৩ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন অ্যালেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই কুইন্টন ডি কককে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০ রান করে ফিরলে ১২ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তিনে নেমে ডাক খেয়েছেন রায়ান রিকেলটন। সুবিধা করতে পারেননি এইডেন মার্করামও।
দলের বিপদে হাল ধরেন ব্রেভিস। তবে ২৭ বলে ৩৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে ক্রিস্টিয়ান স্টাবস ও জানসেন মিলে জুটি গড়েন। স্টাবস করেন ২৪ বলে ২৯ রান।
এই জুটি ভাঙার পর দ্রুতই ফেরেন করবিন বশ ও কাগিসো রাবাদা। শেষ পর্যন্ত জানসেনের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে অপরাজিত ৫৫ রান। তাতেই ১৬৯ রানের সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।



















