Dhaka ১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী কমলো সোনার দাম ইরানের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে ‘পালিয়েছে’ মার্কিন বাহিনী সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক

জিতেও স্বপ্নভঙ্গ পাকিস্তানের, সেমিতে নিউজিল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৮:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / 166

 

৬৫ রানের বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে লাভ নেই, সমীকরণটা জানা ছিল পাকিস্তানের। সেই লক্ষ্যেই শুরু থেকেই তাণ্ডব চালান দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান। তবে শেষ পর্যন্ত সমীকরণ মেলেনি। ম্যাচ জিতলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে থেকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে। সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

পাল্লেকেল্লেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ঝড় তোলেন দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লেতে ওঠে ৬৪ রান। ৯.৫ ওভারে দলীয় শতক পূর্ণ হয়। ১৪ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ১৫০ রান, ততক্ষণে লঙ্কান বোলারদের ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের।

ফারহান-ফখর মিলে গড়েন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৭৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। ৪২ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দুশমন্থ চামিরার বলে বোল্ড হন ফখর। ইনিংসটি সাজান ৯ চার ও ৪ ছক্কায়।

অন্যপ্রান্তে অনড় ছিলেন ফারহান। ৫৯ বলে তুলে নেন এই আসরে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি শতক হাঁকানো প্রথম ব্যাটার এখন তিনি। শেষ পর্যন্ত ঠিক ১০০ রানে আউট হন। চলতি আসরে তাঁর মোট রান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৩৮৩।

তবে ঝড়ো শুরুটা বড় সংগ্রহে রূপ দিতে পারেনি পাকিস্তান। শেষ ৩৪ রানে হারায় ৮ উইকেট। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ২১২ রান।

২১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ৮ রানে ফেরেন পাথুম নিশাঙ্কা। ৭৫ রানে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। স্পিনার আবরার আহমেদ ছিলেন দারুণ কার্যকর, তুলে নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পান শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মোহাম্মদ নওয়াজ।

তবুও ম্যাচ হাতছাড়া করেনি লঙ্কানরা। পাভান রত্নায়েক ও অধিনায়ক দাসুন শানাকা গড়েন ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৩৭ বলে ৫৮ রান করে রত্নায়েক ফিরলেও শানাকা লড়াই চালিয়ে যান।

শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৬ রান। শানাকার ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ায়। ৮ ছক্কা ও ২ চারে ৩১ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২০৭ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ৫ রানের জয় পায় পাকিস্তান।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জিতেও স্বপ্নভঙ্গ পাকিস্তানের, সেমিতে নিউজিল্যান্ড

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৮:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

 

৬৫ রানের বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে লাভ নেই, সমীকরণটা জানা ছিল পাকিস্তানের। সেই লক্ষ্যেই শুরু থেকেই তাণ্ডব চালান দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান। তবে শেষ পর্যন্ত সমীকরণ মেলেনি। ম্যাচ জিতলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে থেকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে। সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

পাল্লেকেল্লেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ঝড় তোলেন দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লেতে ওঠে ৬৪ রান। ৯.৫ ওভারে দলীয় শতক পূর্ণ হয়। ১৪ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ১৫০ রান, ততক্ষণে লঙ্কান বোলারদের ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের।

ফারহান-ফখর মিলে গড়েন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৭৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। ৪২ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দুশমন্থ চামিরার বলে বোল্ড হন ফখর। ইনিংসটি সাজান ৯ চার ও ৪ ছক্কায়।

অন্যপ্রান্তে অনড় ছিলেন ফারহান। ৫৯ বলে তুলে নেন এই আসরে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি শতক হাঁকানো প্রথম ব্যাটার এখন তিনি। শেষ পর্যন্ত ঠিক ১০০ রানে আউট হন। চলতি আসরে তাঁর মোট রান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৩৮৩।

তবে ঝড়ো শুরুটা বড় সংগ্রহে রূপ দিতে পারেনি পাকিস্তান। শেষ ৩৪ রানে হারায় ৮ উইকেট। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ২১২ রান।

২১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ৮ রানে ফেরেন পাথুম নিশাঙ্কা। ৭৫ রানে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। স্পিনার আবরার আহমেদ ছিলেন দারুণ কার্যকর, তুলে নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পান শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মোহাম্মদ নওয়াজ।

তবুও ম্যাচ হাতছাড়া করেনি লঙ্কানরা। পাভান রত্নায়েক ও অধিনায়ক দাসুন শানাকা গড়েন ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৩৭ বলে ৫৮ রান করে রত্নায়েক ফিরলেও শানাকা লড়াই চালিয়ে যান।

শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৬ রান। শানাকার ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ায়। ৮ ছক্কা ও ২ চারে ৩১ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২০৭ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ৫ রানের জয় পায় পাকিস্তান।