Dhaka ১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী কমলো সোনার দাম ইরানের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে ‘পালিয়েছে’ মার্কিন বাহিনী সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক

সামাজিক মাধ্যম থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকার পরামর্শ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 157

 

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল নেপাল। অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া হয়নি। এবারের আসরেও শুরুতে চমক দেখালেও নবাগত ইতালির কাছে বড় হার হেরেছে তারা। টানা দুই হারের পর সি গ্রুপের তলানিতে নেমে গেছে দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ রবিবার বাঁচামরার ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিলেন কোচ স্টুয়ার্ট ল সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকো।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল নেপাল। মাত্র চার রানে হারতে হয়। কিন্তু ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি দল। ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয়।

সামাজিক মাধ্যমের বিশাল বিভ্রান্তির কথা তুলে ধরে ল বলেন এখন আমাদের দেখতে হবে ইংল্যান্ড ও ইতালি ম্যাচের মধ্যে এত পার্থক্য কেন হলো। সেই কারণ খুঁজে বের করাই সবচেয়ে জরুরি।

বাংলাদেশের সাবেক এই কোচ বলেন সামাজিক মাধ্যম নেপালের সংস্কৃতির অংশ হলেও এটা বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। আপনি যদি কে কী বলছে সেটা নিয়ে বেশি ভাবেন আর দলের কী প্রয়োজন, সতীর্থরা কী বলছে সেদিকে মনোযোগ না দেন তাহলে আসল কাজ থেকে ছিটকে যাবেন।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ আরও বলেন অনেক খেলোয়াড় এনডোর্সমেন্ট ও স্পন্সরশিপের জন্য সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে এটা তিনি বোঝেন। তবে তার মতে বিশ্বকাপে ক্রিকেটই প্রধান বিষয়। তিনি খেলোয়াড়দের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে মাঠে জয়ের ধারায় থাকলে এমনিতেই লাইক আসবে।

স্টুয়ার্ট ল বলেন নেপালে ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে এটা দেখাতে পারলে বারবার নিজের মুখ দেখানোর দরকার নেই। তখন সোশ্যাল মিডিয়াতেই জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হবে। নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগের ডাইনোসর উল্লেখ করে তিনি বলেন এর নেতিবাচক প্রভাব তিনি বোঝেন তবে ইতিবাচক দিক পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। তাই খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কাজ করছেন যাতে তারা এক নম্বরে ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন যখন তোমরা ক্রিকেটের ভেতরে থাকো তখন শুধু ক্রিকেটটাই খেলো। বাকি সব বাজে কথা আর বাজে কাজ মাঠের বাইরে রাখো।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সামাজিক মাধ্যম থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকার পরামর্শ

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল নেপাল। অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া হয়নি। এবারের আসরেও শুরুতে চমক দেখালেও নবাগত ইতালির কাছে বড় হার হেরেছে তারা। টানা দুই হারের পর সি গ্রুপের তলানিতে নেমে গেছে দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ রবিবার বাঁচামরার ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিলেন কোচ স্টুয়ার্ট ল সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকো।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল নেপাল। মাত্র চার রানে হারতে হয়। কিন্তু ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি দল। ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয়।

সামাজিক মাধ্যমের বিশাল বিভ্রান্তির কথা তুলে ধরে ল বলেন এখন আমাদের দেখতে হবে ইংল্যান্ড ও ইতালি ম্যাচের মধ্যে এত পার্থক্য কেন হলো। সেই কারণ খুঁজে বের করাই সবচেয়ে জরুরি।

বাংলাদেশের সাবেক এই কোচ বলেন সামাজিক মাধ্যম নেপালের সংস্কৃতির অংশ হলেও এটা বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। আপনি যদি কে কী বলছে সেটা নিয়ে বেশি ভাবেন আর দলের কী প্রয়োজন, সতীর্থরা কী বলছে সেদিকে মনোযোগ না দেন তাহলে আসল কাজ থেকে ছিটকে যাবেন।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ আরও বলেন অনেক খেলোয়াড় এনডোর্সমেন্ট ও স্পন্সরশিপের জন্য সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে এটা তিনি বোঝেন। তবে তার মতে বিশ্বকাপে ক্রিকেটই প্রধান বিষয়। তিনি খেলোয়াড়দের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে মাঠে জয়ের ধারায় থাকলে এমনিতেই লাইক আসবে।

স্টুয়ার্ট ল বলেন নেপালে ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে এটা দেখাতে পারলে বারবার নিজের মুখ দেখানোর দরকার নেই। তখন সোশ্যাল মিডিয়াতেই জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হবে। নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগের ডাইনোসর উল্লেখ করে তিনি বলেন এর নেতিবাচক প্রভাব তিনি বোঝেন তবে ইতিবাচক দিক পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। তাই খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কাজ করছেন যাতে তারা এক নম্বরে ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন যখন তোমরা ক্রিকেটের ভেতরে থাকো তখন শুধু ক্রিকেটটাই খেলো। বাকি সব বাজে কথা আর বাজে কাজ মাঠের বাইরে রাখো।