Dhaka ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 134

স্মৃতিতে অমলিন কালুখালীর কালিকাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তপন কুমার দত্ত

কালুখালী প্রতিনিধি
আজ ১৬ জানুয়ারি। কালুখালীর মাটি ও মানুষের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কালিকাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত তপন কুমার দত্তের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২২ সালের এই দিনে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

তপন কুমার দত্ত ১৯৫৬ সালের ১৫ এপ্রিল কালুখালীর ঐতিহ্যবাহী দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা প্রয়াত ক্ষুদিরাম দত্ত ছিলেন কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত সন্ধ্যা দত্ত ছিলেন গৃহিণী। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

তাঁর দাদা প্রয়াত অম্বিকা চরণ দত্ত ছিলেন তৎকালীন কালিকাপুর ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট। বাবার মৃত্যুর পর তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত রাখেন। মানবসেবাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করায় তিনি ব্যক্তিগত সুখ ত্যাগ করে আজীবন অবিবাহিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত থেকে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সকলের নিকট দোয়া কামনা করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

স্মৃতিতে অমলিন কালুখালীর কালিকাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তপন কুমার দত্ত

কালুখালী প্রতিনিধি
আজ ১৬ জানুয়ারি। কালুখালীর মাটি ও মানুষের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কালিকাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত তপন কুমার দত্তের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২২ সালের এই দিনে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

তপন কুমার দত্ত ১৯৫৬ সালের ১৫ এপ্রিল কালুখালীর ঐতিহ্যবাহী দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা প্রয়াত ক্ষুদিরাম দত্ত ছিলেন কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত সন্ধ্যা দত্ত ছিলেন গৃহিণী। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

তাঁর দাদা প্রয়াত অম্বিকা চরণ দত্ত ছিলেন তৎকালীন কালিকাপুর ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট। বাবার মৃত্যুর পর তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত রাখেন। মানবসেবাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করায় তিনি ব্যক্তিগত সুখ ত্যাগ করে আজীবন অবিবাহিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত থেকে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সকলের নিকট দোয়া কামনা করা হয়েছে।