Dhaka ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন ৪ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে পোরশায় হাতুড়ে চিকিৎসক দিয়ে সিজার, নবজাতকের মৃত্যু : ক্লিনিক মালিকসহ গ্রেপ্তার ৪ ঝিনাইদহে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা কালুখালীর শিকজান বাজারে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে পুলিশের পরামর্শ ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে আ. লীগের সঙ্গে বৈঠক: সারজিসকে বহিষ্কার, হাসনাতকে শোকজ করেন নাহিদ

বিভাগীয় শহরেও সিনেমা দেখতে আগ্রহী অনেক মানুষ : রিজওয়ানা হাসান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 158

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শুধু ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতেও অনেক মানুষ আছেন, যারা সিনেমা দেখতে আগ্রহী। তাই আগামী বছর থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসময় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উৎসব কর্তৃপক্ষ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে যৌথভাবে ভাবার অনুরোধ জানান।

‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটিজের আয়োজনে শুরু হয়েছে ৯ দিনব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানি ও জলতরঙ্গ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল। তিনি জানান, এবার প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের লাবণী বিচ পয়েন্টে উৎসবের চলচ্চিত্র উন্মুক্তভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে। আগামী বছর সেখানে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজওয়ানা হাসান কক্সবাজারের আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় প্লাস্টিকজাত পণ্য বর্জনের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে এই উৎসব আয়োজন করা গেলে সিনেমা সংস্কৃতি আরও বিস্তৃত হবে।

উদ্বোধনী দিনে বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হয় চেন শিয়াং পরিচালিত চীনা সিনেমা ‘উ জিন ঝি লু’ (দ্য জার্নি টু নো এন্ড)। সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হয় মোহাম্মদ আসাদানিয়া পরিচালিত ইরানি সিনেমা ‘উইদাউট মি’।

এবারের উৎসবে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের মোট ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। জাতীয় জাদুঘর, শিল্পকলা একাডেমি, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিভিন্ন মিলনায়তনে এসব প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রথমবারের মতো কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ওপেন এয়ার স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবের পর্দা নামবে ১৮ জানুয়ারি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিভাগীয় শহরেও সিনেমা দেখতে আগ্রহী অনেক মানুষ : রিজওয়ানা হাসান

প্রকাশের সময় : ০৮:১০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শুধু ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতেও অনেক মানুষ আছেন, যারা সিনেমা দেখতে আগ্রহী। তাই আগামী বছর থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসময় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উৎসব কর্তৃপক্ষ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে যৌথভাবে ভাবার অনুরোধ জানান।

‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটিজের আয়োজনে শুরু হয়েছে ৯ দিনব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানি ও জলতরঙ্গ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল। তিনি জানান, এবার প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের লাবণী বিচ পয়েন্টে উৎসবের চলচ্চিত্র উন্মুক্তভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে। আগামী বছর সেখানে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজওয়ানা হাসান কক্সবাজারের আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় প্লাস্টিকজাত পণ্য বর্জনের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে এই উৎসব আয়োজন করা গেলে সিনেমা সংস্কৃতি আরও বিস্তৃত হবে।

উদ্বোধনী দিনে বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হয় চেন শিয়াং পরিচালিত চীনা সিনেমা ‘উ জিন ঝি লু’ (দ্য জার্নি টু নো এন্ড)। সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হয় মোহাম্মদ আসাদানিয়া পরিচালিত ইরানি সিনেমা ‘উইদাউট মি’।

এবারের উৎসবে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের মোট ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। জাতীয় জাদুঘর, শিল্পকলা একাডেমি, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিভিন্ন মিলনায়তনে এসব প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রথমবারের মতো কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ওপেন এয়ার স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবের পর্দা নামবে ১৮ জানুয়ারি।