Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য রাজনৈতিকভাবে দেখি না: খাদ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 173

দেশে খাদ্যের সংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই জানিয়ে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব খাদ্য পরিস্থিতির উপরে পড়বে না। দুই দেশের মধ্যে এখনো বাণিজ্য চলমান রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভারত থেকে আমরা চাল আমদানি করি টাকায়। তারাও এটা বিক্রি করেন। বাজারটা কিন্তু ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের প্রয়োজন হয়। বিক্রেতাও বাজারে আসতে হয়, তার বিক্রি করা দরকার আছে। আমরাও বাজারে যাই আমাদের কেনা দরকার আছে। ঠিক তেমনভাবে ভারত থেকে চাল আমদানি বা যেসব জিনিস আমদানি সেটাকে আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি না।’

রবিবার সচিবালয়ে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্য যেখান থেকেই আনি আমরা এটা রাজনৈতিকভাবে দেখি না। আমরা এটাকে দেখি বাজার মেকানিজম হিসেবে। যেখানে আমরা কম পাই সেখান থেকে আমরা কিনি।’

তিনি আরও বলেন, গম পুরোটাই কিন্তু ইমপোর্ট। আমাদের দেশে গমের চাহিদা বছরে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আমাদের দেশে উৎপাদন মোটে ১০ লাখ মেট্রিক টন। আর চালের সিংহভাগই লোকাল, আর কিছু পরিমাণ ইমপোর্ট করা হয়েছে, আরও কিছু পরিমাণ ইমপোর্ট চ্যানেলের মধ্যে আমাদের আছে। এবারে ইমপোর্টের পরিমাণটা শেষ হওয়ার পরে বলতে পারব, আরও কয়েক মাস পরে বলতে পারব যে অন্যান্য বছরের তুলনায় ইমপোর্টের পরিমাণটা কমে যাবে আশা করছি ইনশাআল্লাহ।

তিনি জানান, দেশের বর্তমান খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সরকারি খাদ্য গুদামে বর্তমানে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ টন চাল, ২ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টন গম এবং ৯ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ টন ধান মজুত রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য রাজনৈতিকভাবে দেখি না: খাদ্য উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০২:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে খাদ্যের সংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই জানিয়ে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব খাদ্য পরিস্থিতির উপরে পড়বে না। দুই দেশের মধ্যে এখনো বাণিজ্য চলমান রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভারত থেকে আমরা চাল আমদানি করি টাকায়। তারাও এটা বিক্রি করেন। বাজারটা কিন্তু ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের প্রয়োজন হয়। বিক্রেতাও বাজারে আসতে হয়, তার বিক্রি করা দরকার আছে। আমরাও বাজারে যাই আমাদের কেনা দরকার আছে। ঠিক তেমনভাবে ভারত থেকে চাল আমদানি বা যেসব জিনিস আমদানি সেটাকে আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি না।’

রবিবার সচিবালয়ে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্য যেখান থেকেই আনি আমরা এটা রাজনৈতিকভাবে দেখি না। আমরা এটাকে দেখি বাজার মেকানিজম হিসেবে। যেখানে আমরা কম পাই সেখান থেকে আমরা কিনি।’

তিনি আরও বলেন, গম পুরোটাই কিন্তু ইমপোর্ট। আমাদের দেশে গমের চাহিদা বছরে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আমাদের দেশে উৎপাদন মোটে ১০ লাখ মেট্রিক টন। আর চালের সিংহভাগই লোকাল, আর কিছু পরিমাণ ইমপোর্ট করা হয়েছে, আরও কিছু পরিমাণ ইমপোর্ট চ্যানেলের মধ্যে আমাদের আছে। এবারে ইমপোর্টের পরিমাণটা শেষ হওয়ার পরে বলতে পারব, আরও কয়েক মাস পরে বলতে পারব যে অন্যান্য বছরের তুলনায় ইমপোর্টের পরিমাণটা কমে যাবে আশা করছি ইনশাআল্লাহ।

তিনি জানান, দেশের বর্তমান খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সরকারি খাদ্য গুদামে বর্তমানে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ টন চাল, ২ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টন গম এবং ৯ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ টন ধান মজুত রয়েছে।