Dhaka ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক, রাষ্ট্রে সবার সমান অধিকার: রিজভী কালীগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত সব ধর্মের মানুষের বিশ্বাস ও ধর্মাচরণের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য: প্রধানমন্ত্রী যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে ৫ সরকারি কর্মচারী গ্রেফতার, উদ্ধার ৪৮ পাতার ব্যাংক চেক পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঢালারচর রেলস্টেশন পরিদর্শন, ‘ওরা ১১ জন’-এর নৌকা ভ্রমণ নুর হাসিনার পুত্র হলে আসিফ-নাহিদ-আখতাররা হাসিনার নাতি: আবু হানিফ ক্ষমা চেয়েও শাস্তি এড়াতে পারলেন না মার্তিনেজ কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টের কিট কিনতে বিএনপির আর্থিক সহায়তা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ফল প্রকাশ পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা তদারকি করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 58

 

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর দখলে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শুধু প্রশাসন-পুলিশই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে জামায়াতের পুরোপুরি আধিপত্য রয়েছে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এ কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহান বলেন, ‘আজকাল যে আচরণগুলো আমরা লক্ষ্য করি, অনলাইন-অফলাইন সর্বত্রই। মিডিয়া ও মিডিয়ার বাইরে, মাঠের রাজনীতিতে কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। ঠিক যে রকম এরোগেন্সি (ঔদ্ধত্য) গত ১৫ বছর দেখেছি, সেটা আমরা কিছু দলের ভেতরে নির্বাচনের আগেই ১৫ মাসেই দেখতে পাচ্ছি।’

‘ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন, প্রশাসনিক ‘ক্যু’র চেষ্টা করছেন’— গণমাধ্যমে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রশাসনের একটা বড় অংশ জামায়াতের দখলে। শুধু প্রশাসন-পুলিশই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে জামায়াতের পুরোপুরি আধিপত্য রয়েছে। সুতরাং তিনি যদি তার দল (জামায়াতে ইসলামী)-কে মিন (বোঝাতে চান) করে থাকেন, সেটা তিনি বলতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ত হচ্ছে ‘নির্বাচনকে আমরা যদি টার্গেট করি আলোচনাটা করি—প্রশাসন কার দখলে, পুলিশ কার দখলে। নির্বাচনটা কিন্তু পুলিশ-প্রশাসন দিয়ে হবে না। এখানে সরকারের সদিচ্ছার ব্যাপার আছে, সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারদের ব্যাপার আছে, কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপার আছে। সুতরাং আপনি যদি সবকিছু বিবেচনায় নেন তাহলে কেবল পুলিশ-প্রশাসন দিয়ে হবে না। এই পুলিশ-প্রশাসন কিভাবে কাজ করবে সেটাও নির্ধারণ করা এবং তারা যাতে একেবারে পেশাদারিত্বের সাথে কাজগুলো করে সেটাও দেখভালের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন সেটি কতটুকু নিরপেক্ষভাবে করবে এবং কতটুকু শক্তভাবে করবে সেটাও একটা প্রশ্ন।’

এ সময় জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন বলেন, ‘শাহজাহান চৌধুরী দুই দিন আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন, তার কথায় চন্দ্র-সূর্য সব কিছু থেমে যায়। তিনি বলেছেন— ‘তাকে না চিনলে চিনে রাখতে।’ তিনিসহ জামায়াতের বেশ কয়েকজনকে আমরা এ কথাও বলতে শুনেছি— ‘আমরা বললে মামলা নেবে, আমরা বললে মামলা থেকে অব্যাহতি দেবে। আমরা বললে গ্রেপ্তার করবে, আমরা বললে ছেড়ে দেবে।

আমাদের কথায় পুলিশ উঠবে-বসবে।’ সেটা বলার একপর্যায়ে তিনি (শাহজাহান) জামায়াত আমিরকেও খুঁজছিলেন। উনি কোথায়, ওনাকে সামনে রেখে সাক্ষী মেনে এ কথাগুলো বলতে চাইছেন। আমরা যদি এগুলো দেখি, তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না, কী পরিমাণ কন্ট্রোলের দিকে যেতে চাইছে তারা।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা

প্রকাশের সময় : ০২:৫৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর দখলে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শুধু প্রশাসন-পুলিশই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে জামায়াতের পুরোপুরি আধিপত্য রয়েছে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এ কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহান বলেন, ‘আজকাল যে আচরণগুলো আমরা লক্ষ্য করি, অনলাইন-অফলাইন সর্বত্রই। মিডিয়া ও মিডিয়ার বাইরে, মাঠের রাজনীতিতে কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। ঠিক যে রকম এরোগেন্সি (ঔদ্ধত্য) গত ১৫ বছর দেখেছি, সেটা আমরা কিছু দলের ভেতরে নির্বাচনের আগেই ১৫ মাসেই দেখতে পাচ্ছি।’

‘ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন, প্রশাসনিক ‘ক্যু’র চেষ্টা করছেন’— গণমাধ্যমে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রশাসনের একটা বড় অংশ জামায়াতের দখলে। শুধু প্রশাসন-পুলিশই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে জামায়াতের পুরোপুরি আধিপত্য রয়েছে। সুতরাং তিনি যদি তার দল (জামায়াতে ইসলামী)-কে মিন (বোঝাতে চান) করে থাকেন, সেটা তিনি বলতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ত হচ্ছে ‘নির্বাচনকে আমরা যদি টার্গেট করি আলোচনাটা করি—প্রশাসন কার দখলে, পুলিশ কার দখলে। নির্বাচনটা কিন্তু পুলিশ-প্রশাসন দিয়ে হবে না। এখানে সরকারের সদিচ্ছার ব্যাপার আছে, সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারদের ব্যাপার আছে, কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপার আছে। সুতরাং আপনি যদি সবকিছু বিবেচনায় নেন তাহলে কেবল পুলিশ-প্রশাসন দিয়ে হবে না। এই পুলিশ-প্রশাসন কিভাবে কাজ করবে সেটাও নির্ধারণ করা এবং তারা যাতে একেবারে পেশাদারিত্বের সাথে কাজগুলো করে সেটাও দেখভালের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন সেটি কতটুকু নিরপেক্ষভাবে করবে এবং কতটুকু শক্তভাবে করবে সেটাও একটা প্রশ্ন।’

এ সময় জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন বলেন, ‘শাহজাহান চৌধুরী দুই দিন আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন, তার কথায় চন্দ্র-সূর্য সব কিছু থেমে যায়। তিনি বলেছেন— ‘তাকে না চিনলে চিনে রাখতে।’ তিনিসহ জামায়াতের বেশ কয়েকজনকে আমরা এ কথাও বলতে শুনেছি— ‘আমরা বললে মামলা নেবে, আমরা বললে মামলা থেকে অব্যাহতি দেবে। আমরা বললে গ্রেপ্তার করবে, আমরা বললে ছেড়ে দেবে।

আমাদের কথায় পুলিশ উঠবে-বসবে।’ সেটা বলার একপর্যায়ে তিনি (শাহজাহান) জামায়াত আমিরকেও খুঁজছিলেন। উনি কোথায়, ওনাকে সামনে রেখে সাক্ষী মেনে এ কথাগুলো বলতে চাইছেন। আমরা যদি এগুলো দেখি, তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না, কী পরিমাণ কন্ট্রোলের দিকে যেতে চাইছে তারা।’