Dhaka ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

কোটালীপাড়া উপজেলায় যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 159

বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় যত্রতত্র গড়ে উঠেছে এলপিজি গ্যাসসহ সিলিন্ডারের দোকান। লাইসেন্সবিহীন এসব দোকানগুলোতে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ওই জ্বালানি। আইনের তোয়াক্কা না করেই শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই উপজেলার প্রতিটি বাজারেই চলছে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা।

বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে অন্য ব্যবসার পাশাপাশি উপজেলার রাস্তাঘাট, হাট-বাজার ও প্রধান সড়কের মোড়গুলোতে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস। ফলে দেখা দিয়েছে বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির আশঙ্কা। এলপিজি গ্যাস কোম্পানিগুলোর ডিলাররা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ নিলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা সিলিন্ডার মজুদ আইন অনুস্মরণ করছে না। ফলে বাজারগুলোসহ মহাসড়কের পার্শ্বে থাকা মুদির দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান,চায়ের দোকান, ওষুধের দোকান, রড সিমেন্টের দোকানেও অনিরাপদ স্থানে অগ্নিনির্বাপক বা অক্সিজেন ছাড়া অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস।

আটটির কম গ্যাস সিলিন্ডার রাখলে লাইসেন্স প্রয়োজন হবে না, আইনের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করছে দোকানিরা। এসব দোকানগুলোতে নেই প্রাথমিক বিপর্যয় রক্ষায় ড্রাই পাউডার ও সিও ২ সরঞ্জামসহ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা।

একাধিক অবৈধ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা জানান, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বিভিন্ন কোম্পানির ডিলারদের বিপণন কৌশলে প্ররোচিত হয়েও তারা আইন অনুসরণ না করে ব্যবসা করছেন।

বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪ এর দ্য এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪ এর ৬৯ ধারার ২ বিধিতে লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ক্ষেত্রে এলপিজি মজুদ করা যাবে না বলা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী আটটি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুদের ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে। একই বিধির ৭১ নং ধারায় বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য স্থাপনা বা মজুদাগারে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম মজুদ রাখতে হবে। এ আইন অমান্য করলে যে কোনো ব্যবসায়ী কমপক্ষে দুই বছর ও অনধিক পাঁচ বছরের জেলসহ অনধিক ৫০ হাজার টাকায় দণ্ডিত হবেন এবং অর্থ অনাদায়ী থাকলে অতিরিক্ত আরো ছয় মাস পর্যন্ত কারাগারের বিধান রয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক বলেন, লাইসেন্স ছাড়া যারা ব্যবসা করছে তাদের আমরা ছয়মাস আগেই লাইসেন্স করতে বলেছি। এ ছাড়া ডিলারদেরও খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স দেখে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে বলা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি আবার নজরে এসেছে,এরপরও যদি বিস্ফোরক লাইসেন্স ছাড়া এলপি গ্যাস সিলিন্ডার যারা বিক্রি করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কোটালীপাড়া উপজেলায় যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় যত্রতত্র গড়ে উঠেছে এলপিজি গ্যাসসহ সিলিন্ডারের দোকান। লাইসেন্সবিহীন এসব দোকানগুলোতে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ওই জ্বালানি। আইনের তোয়াক্কা না করেই শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই উপজেলার প্রতিটি বাজারেই চলছে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা।

বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে অন্য ব্যবসার পাশাপাশি উপজেলার রাস্তাঘাট, হাট-বাজার ও প্রধান সড়কের মোড়গুলোতে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস। ফলে দেখা দিয়েছে বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির আশঙ্কা। এলপিজি গ্যাস কোম্পানিগুলোর ডিলাররা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ নিলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা সিলিন্ডার মজুদ আইন অনুস্মরণ করছে না। ফলে বাজারগুলোসহ মহাসড়কের পার্শ্বে থাকা মুদির দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান,চায়ের দোকান, ওষুধের দোকান, রড সিমেন্টের দোকানেও অনিরাপদ স্থানে অগ্নিনির্বাপক বা অক্সিজেন ছাড়া অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস।

আটটির কম গ্যাস সিলিন্ডার রাখলে লাইসেন্স প্রয়োজন হবে না, আইনের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করছে দোকানিরা। এসব দোকানগুলোতে নেই প্রাথমিক বিপর্যয় রক্ষায় ড্রাই পাউডার ও সিও ২ সরঞ্জামসহ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা।

একাধিক অবৈধ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা জানান, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বিভিন্ন কোম্পানির ডিলারদের বিপণন কৌশলে প্ররোচিত হয়েও তারা আইন অনুসরণ না করে ব্যবসা করছেন।

বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪ এর দ্য এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪ এর ৬৯ ধারার ২ বিধিতে লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ক্ষেত্রে এলপিজি মজুদ করা যাবে না বলা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী আটটি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুদের ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে। একই বিধির ৭১ নং ধারায় বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য স্থাপনা বা মজুদাগারে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম মজুদ রাখতে হবে। এ আইন অমান্য করলে যে কোনো ব্যবসায়ী কমপক্ষে দুই বছর ও অনধিক পাঁচ বছরের জেলসহ অনধিক ৫০ হাজার টাকায় দণ্ডিত হবেন এবং অর্থ অনাদায়ী থাকলে অতিরিক্ত আরো ছয় মাস পর্যন্ত কারাগারের বিধান রয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক বলেন, লাইসেন্স ছাড়া যারা ব্যবসা করছে তাদের আমরা ছয়মাস আগেই লাইসেন্স করতে বলেছি। এ ছাড়া ডিলারদেরও খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স দেখে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে বলা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি আবার নজরে এসেছে,এরপরও যদি বিস্ফোরক লাইসেন্স ছাড়া এলপি গ্যাস সিলিন্ডার যারা বিক্রি করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।