Dhaka ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সব বাধা অতিক্রম করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হবে: রিজভী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 114

সব বাধা উপেক্ষা করেই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের আয়োজিত জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনা ভেবেছিলেন, বাধা দিলেই সব কিছু স্তব্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু গণতন্ত্রের সংগ্রাম থেমে থাকেনি। জুলাই আন্দোলন ছিল সেই অব্যাহত সংগ্রামের দিন।”

তিনি আরও বলেন, “জীবন উৎসর্গ করে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা আমাদের কাছে দায়বদ্ধতা তৈরি করে গেছেন—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। আমরা সেই পথেই আছি, থাকবো।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে শহীদদের অবদান স্মরণ করে বলেন, “ফ্যাসিবাদের পতনের কৃতিত্ব কোনো একক রাজনৈতিক দলের নয়। জনগণ, ছাত্রসমাজ ও শহীদদের সম্মিলিত আত্মত্যাগেই এই পরিবর্তন এসেছে। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।”

ছাত্রদলের এই স্মরণ কর্মসূচিতে ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। দেশের মাটিতে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। মোমবাতির আলোয় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ প্রত্যয় ঘোষণা করেন নেতারা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সব বাধা অতিক্রম করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হবে: রিজভী

প্রকাশের সময় : ১০:১৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

সব বাধা উপেক্ষা করেই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের আয়োজিত জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনা ভেবেছিলেন, বাধা দিলেই সব কিছু স্তব্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু গণতন্ত্রের সংগ্রাম থেমে থাকেনি। জুলাই আন্দোলন ছিল সেই অব্যাহত সংগ্রামের দিন।”

তিনি আরও বলেন, “জীবন উৎসর্গ করে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা আমাদের কাছে দায়বদ্ধতা তৈরি করে গেছেন—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। আমরা সেই পথেই আছি, থাকবো।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে শহীদদের অবদান স্মরণ করে বলেন, “ফ্যাসিবাদের পতনের কৃতিত্ব কোনো একক রাজনৈতিক দলের নয়। জনগণ, ছাত্রসমাজ ও শহীদদের সম্মিলিত আত্মত্যাগেই এই পরিবর্তন এসেছে। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।”

ছাত্রদলের এই স্মরণ কর্মসূচিতে ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। দেশের মাটিতে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। মোমবাতির আলোয় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ প্রত্যয় ঘোষণা করেন নেতারা।