Dhaka ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দপ্তর ছেড়ে বাইরে এসে সচিবালয় কর্মচারীদের বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 96

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ার প্রতিবাদে সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ। আজ রোববার সকালে দপ্তর ছেড়ে নিচে নেমে শত শত কর্মচারী মিছিলে অংশ নেন।

সচিবালয়ের ভেতরে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কর্মচারীদের মুখে ছিল “অবৈধ কালো আইন মানব না”সহ বিভিন্ন স্লোগান। সংগঠনের দাবি, প্রস্তাবিত আইনটি একটি ‘নিবর্তনমূলক ও কালাকানুন’, যা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, নতুন খসড়া অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ আরও সহজ করা হয়েছে। এতে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাও সহজতর হবে, যা সরকারি কর্মচারীদের জন্য ভয়ংকর এক শঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, অধ্যাদেশের খসড়ায় সাড়ে চার দশক আগের কিছু বিশেষ বিধানের ‘নিবর্তনমূলক ধারা’ পুনরায় সংযোজন করা হয়েছে। তাঁদের মতে, এটি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং চাকরির নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলবে।

সংযুক্ত পরিষদের পক্ষ থেকে অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি না মানা হলে তাঁরা আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হবেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দপ্তর ছেড়ে বাইরে এসে সচিবালয় কর্মচারীদের বিক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ১১:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ার প্রতিবাদে সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ। আজ রোববার সকালে দপ্তর ছেড়ে নিচে নেমে শত শত কর্মচারী মিছিলে অংশ নেন।

সচিবালয়ের ভেতরে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কর্মচারীদের মুখে ছিল “অবৈধ কালো আইন মানব না”সহ বিভিন্ন স্লোগান। সংগঠনের দাবি, প্রস্তাবিত আইনটি একটি ‘নিবর্তনমূলক ও কালাকানুন’, যা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, নতুন খসড়া অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ আরও সহজ করা হয়েছে। এতে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাও সহজতর হবে, যা সরকারি কর্মচারীদের জন্য ভয়ংকর এক শঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, অধ্যাদেশের খসড়ায় সাড়ে চার দশক আগের কিছু বিশেষ বিধানের ‘নিবর্তনমূলক ধারা’ পুনরায় সংযোজন করা হয়েছে। তাঁদের মতে, এটি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং চাকরির নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলবে।

সংযুক্ত পরিষদের পক্ষ থেকে অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি না মানা হলে তাঁরা আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হবেন।