Dhaka ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
  • / 103

রুদ্ধশ্বাস ও নাটকীয় এক ফাইনালে টাইব্রেকারে হেরে যুব সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা হাতছাড়া করলো বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ভারত, ফলে শিরোপা ঘরে তোলে তারা।

ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চমকে দেন ভারতের অধিনায়ক সিঙ্গামায়ুম শামি। মাত্র ২ মিনিটে তার নেওয়া এক দুর্দান্ত ফ্রি কিকেই এগিয়ে যায় ভারত। তবে গোল হজমের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে গোল করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে খেলার রূপ বদলে দেয় লাল-সবুজের তরুণরা।

৬০ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় জয় আহমেদ কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান। এরপর ম্যাচে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত থাকলেও আর গোল হয়নি। মূল সময় শেষে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

পুরো ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত খেলেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন। বিশেষ করে ১৬তম মিনিটে ভারতের নিশ্চিত এক গোল বাঁচিয়ে দেন তিনি, যা ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠতে পারত। যোগ করা সময়ে মিঠুর আরেকটি গোল লাইন সেভও ছিল চোখ ধাঁধানো।

টাইব্রেকারে ইসমাইল ভারতীয় ফরোয়ার্ড রোহেন সিংয়ের শট ঠেকিয়ে দেন, যা বাংলাদেশকে শিরোপার একদম কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নাজমুল হুদা এবং সালাহ উদ্দিন শাহেদ তাদের শট মিস করলে সব আশা শেষ হয়ে যায়। ভারতের গোলরক্ষক সুরজ তাদের শট ঠেকিয়ে দেন, আর শেষ শট নিয়ে অধিনায়ক শামি নিশ্চিত করেন ভারতের শিরোপা।

ফলে ৪-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকারে জয়ী হয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়, আর বাংলাদেশকে নিতে হয় হতাশাজনক বিদায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

প্রকাশের সময় : ১১:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

রুদ্ধশ্বাস ও নাটকীয় এক ফাইনালে টাইব্রেকারে হেরে যুব সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা হাতছাড়া করলো বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ভারত, ফলে শিরোপা ঘরে তোলে তারা।

ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চমকে দেন ভারতের অধিনায়ক সিঙ্গামায়ুম শামি। মাত্র ২ মিনিটে তার নেওয়া এক দুর্দান্ত ফ্রি কিকেই এগিয়ে যায় ভারত। তবে গোল হজমের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে গোল করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে খেলার রূপ বদলে দেয় লাল-সবুজের তরুণরা।

৬০ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় জয় আহমেদ কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান। এরপর ম্যাচে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত থাকলেও আর গোল হয়নি। মূল সময় শেষে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

পুরো ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত খেলেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন। বিশেষ করে ১৬তম মিনিটে ভারতের নিশ্চিত এক গোল বাঁচিয়ে দেন তিনি, যা ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠতে পারত। যোগ করা সময়ে মিঠুর আরেকটি গোল লাইন সেভও ছিল চোখ ধাঁধানো।

টাইব্রেকারে ইসমাইল ভারতীয় ফরোয়ার্ড রোহেন সিংয়ের শট ঠেকিয়ে দেন, যা বাংলাদেশকে শিরোপার একদম কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নাজমুল হুদা এবং সালাহ উদ্দিন শাহেদ তাদের শট মিস করলে সব আশা শেষ হয়ে যায়। ভারতের গোলরক্ষক সুরজ তাদের শট ঠেকিয়ে দেন, আর শেষ শট নিয়ে অধিনায়ক শামি নিশ্চিত করেন ভারতের শিরোপা।

ফলে ৪-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকারে জয়ী হয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়, আর বাংলাদেশকে নিতে হয় হতাশাজনক বিদায়।