Dhaka ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হাত নেই, পা দিয়েই শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন দুঃখু মিয়া, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি কোটালীপাড়ায় বাংলা কিউআর কোড বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা কালুখালীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজবাড়ীতে ৯০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে যুবক নিহত, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ আবুধাবি টেস্ট: বাংলাদেশের লিড চারশো ছাড়ল পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি তালা ভেঙে ভিসির দপ্তরে প্রবেশ করায় উত্তপ্ত চুয়েট ক্যাম্পাস কালুখালীতে পিডিবিএফ’র ৩ দিনব্যাপী নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ

একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আহমদ শামসুল ইসলামের ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 124

একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, গবেষক ও লেখক অধ্যাপক ড. আহমদ শামসুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে ইন্তেকাল করেন তিনি।

তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। তার দু’ ছেলে, এক মেয়ে ও ১৪ জন নাতি-নাতনি রয়েছে।

তার বড় ছেলে অধ্যাপক ড. ইউসুফ ইসলাম সাউথ-ইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি, একমাত্র মেয়ে ড. জেবা ইসলাম ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের একজন অধ্যাপক এবং ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার খালিদ ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত।

অধ্যাপক শামসুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ বছরেরও অধিক সময় বোটানি (উদ্ভিদবিজ্ঞান) পড়িয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গবেষণা জীবনে তিনি প্রথমবারের মতো দু’টি বাণিজ্যিক পাট জাতের মধ্যে সফল সংকরায়ণ সম্পন্ন করেন। এছাড়াও, তিনি পাটের টিস্যু কালচার ও মাইক্রোপ্রপাগেশন কৌশল সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।

দেশীয় অর্কিড ও আলু থেকে ভাইরাসমুক্ত গাছ উৎপাদনের লক্ষ্যে সোমাক্লোনাল ভ্যারিয়েশন, মেরিস্টেম কালচার ও মাইক্রোপ্রপাগেশনসহ নানা টিস্যু কালচার কৌশল তিনি উন্নয়ন ও প্রয়োগ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে প্রেসিডেন্ট’স গোল্ড মেডেল ইন অ্যাগ্রিকালচার (১৯৮৪), একুশে পদক (শিক্ষা, ১৯৮৬), বিএএস গোল্ড মেডেল ইন বায়োলজি (১৯৮৭), বাংলাদেশ বোটানি অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণপদক (১৯৯৭), জিএনওবিবি প্রদত্ত লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড (২০১৭)।

কোরআনের শিক্ষাকে কোমলমতি শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তিনি ১৯৮০ সালে ‘কোরআনিক স্কুল সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন।

তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে স্মৃতির পটে জীবন ছবি, রাইমস অব দ্য হার্ট, বংশগতিবিদ্যার মূলকথা ও জিন প্রকৌশল। বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সূত্র : ইউএনবি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আহমদ শামসুল ইসলামের ইন্তেকাল

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, গবেষক ও লেখক অধ্যাপক ড. আহমদ শামসুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে ইন্তেকাল করেন তিনি।

তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। তার দু’ ছেলে, এক মেয়ে ও ১৪ জন নাতি-নাতনি রয়েছে।

তার বড় ছেলে অধ্যাপক ড. ইউসুফ ইসলাম সাউথ-ইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি, একমাত্র মেয়ে ড. জেবা ইসলাম ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের একজন অধ্যাপক এবং ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার খালিদ ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত।

অধ্যাপক শামসুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ বছরেরও অধিক সময় বোটানি (উদ্ভিদবিজ্ঞান) পড়িয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গবেষণা জীবনে তিনি প্রথমবারের মতো দু’টি বাণিজ্যিক পাট জাতের মধ্যে সফল সংকরায়ণ সম্পন্ন করেন। এছাড়াও, তিনি পাটের টিস্যু কালচার ও মাইক্রোপ্রপাগেশন কৌশল সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।

দেশীয় অর্কিড ও আলু থেকে ভাইরাসমুক্ত গাছ উৎপাদনের লক্ষ্যে সোমাক্লোনাল ভ্যারিয়েশন, মেরিস্টেম কালচার ও মাইক্রোপ্রপাগেশনসহ নানা টিস্যু কালচার কৌশল তিনি উন্নয়ন ও প্রয়োগ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে প্রেসিডেন্ট’স গোল্ড মেডেল ইন অ্যাগ্রিকালচার (১৯৮৪), একুশে পদক (শিক্ষা, ১৯৮৬), বিএএস গোল্ড মেডেল ইন বায়োলজি (১৯৮৭), বাংলাদেশ বোটানি অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণপদক (১৯৯৭), জিএনওবিবি প্রদত্ত লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড (২০১৭)।

কোরআনের শিক্ষাকে কোমলমতি শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তিনি ১৯৮০ সালে ‘কোরআনিক স্কুল সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন।

তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে স্মৃতির পটে জীবন ছবি, রাইমস অব দ্য হার্ট, বংশগতিবিদ্যার মূলকথা ও জিন প্রকৌশল। বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সূত্র : ইউএনবি