Dhaka ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

মার্তিনেজের জালে তিন গোল, কাভারাৎসখেলিয়ায় ভর করে পিএসজির জয়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 137

ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই ছিল স্নায়ুচাপের লড়াই। চুলে আর্জেন্টিনার পতাকার রঙ করে, মাথায় বিশ্বকাপের লোগো খচিত ক্যাপ নিয়ে ফ্রান্সে পা রেখেছিলেন অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি মার্তিনেজ। বোঝাই যাচ্ছিল, পিএসজির ফ্রেঞ্চ তারকাদের বিপক্ষে স্নায়ুচাপের পরীক্ষা নিতে চাইছেন তিনি। তাতে সাড়াও মিলেছিল। দেসিরে দুয়ে সরাসরিই বলেছিলেন, ফ্রান্সের খেলোয়াড় হিসেবে কিছুটা প্রতিশোধ নিতে চান মার্তিনেজের বিপক্ষে।

প্রতিশোধটা বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন দুয়ে। নিজে করেছেন এক গোল। অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে পিএসজি জিতেছে ৩-১ গোলে। তবে এই ম্যাচের স্পটলাইট কেড়ে নিয়েছেন ‘নতুন ম্যারাডোনা’ নাম পেয়ে যাওয়া খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। এমি মার্তিনেজ চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি। পুরো ম্যাচে ছিল তার ৮ সেইভ এবং ৯ রিকোভারি।

কিন্তু নিঃসঙ্গ নাবিক হয়ে প্রতিকূল আবহাওয়ায় কতক্ষণই বা টেকা যায়? বাঁধভাঙ্গা জলোচ্ছ্বাসের মতো ধেয়ে আসা পিএসজির আক্রমণের সামনে তিনটা গোল হজম করতেই হলো মার্তিনেজকে। শুরু থেকেই লুইস এনরিকের শিষ্যরা ব্যস্ত রেখেছিল ভিলাকে। শুরুর আধঘণ্টায় অন্তত ৮বার গোলে শট নিয়েছে পিএসজি। বিপরীতে ভিলা কোনো আক্রমণই করতে পারেনি।

যদিও খেলার ধারার বিপরীতে প্রথম গোল পেয়েছিল ভিলাই। প্রতি আক্রমণ থেকে গোল হলেও সেটা ছিল পারফেক্ট টিম প্লের নমুনা। জন ম্যাকগিন বল কেড়ে নেন পিএসজির কাছ থেকে। এরপর মার্কাস রাশফোর্ড হয়ে বল পেয়ে যান বেলজিয়ান তারকা টিলেমেন্স। সেখান থেকে পাওয়া ক্রসে বল জালে জড়ান রজার্স। ভিলার লিড ১-০ গোলে।

গোল করেই যেন পিএসজিকে তাঁতিয়ে দিয়েছিল সফরকারীরা। সমতায় ফিরতে পিএসজির লাগলো মোটে ৪ মিনিট। গোলদাতা দেসিরে দুয়ে। বক্সের বাইরে থেকে মার্তিনেজের মাথার ওপর দিয়ে তার নেয়া শট পার্ক দে প্রিন্সেসে উন্মাদনা ফিরিয়ে আনে। বিরতির আগে আরও সুযোগ তৈরি করলেও গোল আদায় করতে পারেনি লুইস এনরিকের দল।

দ্বিতীয়ার্ধের একেবারেই শুরুতে এগিয়ে যায় পিএসজি। মার্কিংয়ে থাকা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে কাছের পোস্টে নেয়া দারুণ এক শটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও গোল পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। সতীর্থের থ্রু পাস ধরে নুনো মেন্দেজ লক্ষ্যভেদ করেন দারুণ দক্ষতায়।

আগামী বুধবার ফিরতি লেগে ভিলার মাঠে মুখোমুখি হবে দুই দল।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মার্তিনেজের জালে তিন গোল, কাভারাৎসখেলিয়ায় ভর করে পিএসজির জয়

প্রকাশের সময় : ১০:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই ছিল স্নায়ুচাপের লড়াই। চুলে আর্জেন্টিনার পতাকার রঙ করে, মাথায় বিশ্বকাপের লোগো খচিত ক্যাপ নিয়ে ফ্রান্সে পা রেখেছিলেন অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি মার্তিনেজ। বোঝাই যাচ্ছিল, পিএসজির ফ্রেঞ্চ তারকাদের বিপক্ষে স্নায়ুচাপের পরীক্ষা নিতে চাইছেন তিনি। তাতে সাড়াও মিলেছিল। দেসিরে দুয়ে সরাসরিই বলেছিলেন, ফ্রান্সের খেলোয়াড় হিসেবে কিছুটা প্রতিশোধ নিতে চান মার্তিনেজের বিপক্ষে।

প্রতিশোধটা বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন দুয়ে। নিজে করেছেন এক গোল। অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে পিএসজি জিতেছে ৩-১ গোলে। তবে এই ম্যাচের স্পটলাইট কেড়ে নিয়েছেন ‘নতুন ম্যারাডোনা’ নাম পেয়ে যাওয়া খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। এমি মার্তিনেজ চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি। পুরো ম্যাচে ছিল তার ৮ সেইভ এবং ৯ রিকোভারি।

কিন্তু নিঃসঙ্গ নাবিক হয়ে প্রতিকূল আবহাওয়ায় কতক্ষণই বা টেকা যায়? বাঁধভাঙ্গা জলোচ্ছ্বাসের মতো ধেয়ে আসা পিএসজির আক্রমণের সামনে তিনটা গোল হজম করতেই হলো মার্তিনেজকে। শুরু থেকেই লুইস এনরিকের শিষ্যরা ব্যস্ত রেখেছিল ভিলাকে। শুরুর আধঘণ্টায় অন্তত ৮বার গোলে শট নিয়েছে পিএসজি। বিপরীতে ভিলা কোনো আক্রমণই করতে পারেনি।

যদিও খেলার ধারার বিপরীতে প্রথম গোল পেয়েছিল ভিলাই। প্রতি আক্রমণ থেকে গোল হলেও সেটা ছিল পারফেক্ট টিম প্লের নমুনা। জন ম্যাকগিন বল কেড়ে নেন পিএসজির কাছ থেকে। এরপর মার্কাস রাশফোর্ড হয়ে বল পেয়ে যান বেলজিয়ান তারকা টিলেমেন্স। সেখান থেকে পাওয়া ক্রসে বল জালে জড়ান রজার্স। ভিলার লিড ১-০ গোলে।

গোল করেই যেন পিএসজিকে তাঁতিয়ে দিয়েছিল সফরকারীরা। সমতায় ফিরতে পিএসজির লাগলো মোটে ৪ মিনিট। গোলদাতা দেসিরে দুয়ে। বক্সের বাইরে থেকে মার্তিনেজের মাথার ওপর দিয়ে তার নেয়া শট পার্ক দে প্রিন্সেসে উন্মাদনা ফিরিয়ে আনে। বিরতির আগে আরও সুযোগ তৈরি করলেও গোল আদায় করতে পারেনি লুইস এনরিকের দল।

দ্বিতীয়ার্ধের একেবারেই শুরুতে এগিয়ে যায় পিএসজি। মার্কিংয়ে থাকা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে কাছের পোস্টে নেয়া দারুণ এক শটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও গোল পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। সতীর্থের থ্রু পাস ধরে নুনো মেন্দেজ লক্ষ্যভেদ করেন দারুণ দক্ষতায়।

আগামী বুধবার ফিরতি লেগে ভিলার মাঠে মুখোমুখি হবে দুই দল।