Dhaka ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

আমাকে বলা হয়েছিল তামিম আর বেঁচে নেই : আকরাম খান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 225

জীবন-মৃত্যুর প্রায় সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। দু’বার হার্ট অ্যাটাকের পর পরীক্ষা করলে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে, তাতে রিং পরানোর পর সাবেক এই বাংলাদেশ অধিনায়ক এখন ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে। তবে ওই সময় থেকে তামিমকে ৭২ ঘণ্টা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকতে হচ্ছে। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন নিকটাত্মীয় থেকে শুরু করে বিসিবি ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।

তামিমের চাচা আকরাম খান একইসঙ্গে বিসিবি পরিচালকও। প্রাথমিকভাবে তামিমের অসুস্থতা খবর শোনার সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আজ (বুধবার) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আকরাম বলেন, ‘যখন আমি খবরটা পেয়েছি, দ্য নিউজ ওয়াজ ভেরি ব্যাড। আমাকে বলা হলো তামিম আর বেঁচে নেই। এটা কল্পনাও করতে পারিনি। কোনো দিন ভাবিওনি এ ধরনের খবর শুনব। এত অল্প বয়সী, ছেলের মতো। এরপর ঘণ্টা দেড়েক বাড়িতেই ছিলাম। খুব আপসেট ছিলাম।’

আকরাম আরও বলেন, ‘ঘণ্টা দেড়েক পর ডাক্তাররা কল করলেন কনফারেন্সে। বললেন রিং লাগানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে। তখন একটু স্বাভাবিক হয়েছি। যেহেতু রিং লাগাতে যাচ্ছে তার মানে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। স্পোর্টসের সঙ্গে থাকা লোক, যে অসুস্থ হওয়ার আগের ১০ দিনে দুইটা সেঞ্চুরিও করেছে…কল্পনা করা যায় না। আমার পাশাপাশি অন্য সবাই–ও খুব আপসেট হয়েছেন।’

পরিবারের পক্ষ থেকে তামিমকে শিগগিরই বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তার চাচা, ‘তামিম যে জায়গা থেকে ফিরে এসেছে, আপনাদের দোয়া ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। প্রচুর কল-ম্যাসেজ পাচ্ছি। সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কাল ডাক্তারের সঙ্গেও কথা হয়েছে, এ ধরনের রোগীর ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। আল্লাহ রহমতে ও ফিরে এসেছে।’

‘এখন সে পর্যবেক্ষণে আছে। আরও ২-৩ দিন এই অবস্থায় থাকলে বাসায় নিয়ে আসতে পারব। যে চিকিৎসা হওয়ার তো হয়ে গেছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব পারিবারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের বাইরে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাব। দুশ্চিন্তা রাখতে চাচ্ছি না’, আরও যোগ করেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) মোহামেডানের হয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম। বুকে ব্যথা নিয়ে তিনি নিকটস্থ সাভারের কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে যান। পরে জানা যায়, দু’বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তামিমের। হার্টে ব্লক ধরা পড়ার পর রিংও পরানো হয়েছে। গতকাল সকাল থেকে তার অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পরে সন্ধ্যায় তাকে নিয়ে আসা হয় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। তামিমকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে আগামী তিন মাস।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আমাকে বলা হয়েছিল তামিম আর বেঁচে নেই : আকরাম খান

প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

জীবন-মৃত্যুর প্রায় সন্ধিক্ষণে চলে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। দু’বার হার্ট অ্যাটাকের পর পরীক্ষা করলে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে, তাতে রিং পরানোর পর সাবেক এই বাংলাদেশ অধিনায়ক এখন ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে। তবে ওই সময় থেকে তামিমকে ৭২ ঘণ্টা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকতে হচ্ছে। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন নিকটাত্মীয় থেকে শুরু করে বিসিবি ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।

তামিমের চাচা আকরাম খান একইসঙ্গে বিসিবি পরিচালকও। প্রাথমিকভাবে তামিমের অসুস্থতা খবর শোনার সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আজ (বুধবার) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আকরাম বলেন, ‘যখন আমি খবরটা পেয়েছি, দ্য নিউজ ওয়াজ ভেরি ব্যাড। আমাকে বলা হলো তামিম আর বেঁচে নেই। এটা কল্পনাও করতে পারিনি। কোনো দিন ভাবিওনি এ ধরনের খবর শুনব। এত অল্প বয়সী, ছেলের মতো। এরপর ঘণ্টা দেড়েক বাড়িতেই ছিলাম। খুব আপসেট ছিলাম।’

আকরাম আরও বলেন, ‘ঘণ্টা দেড়েক পর ডাক্তাররা কল করলেন কনফারেন্সে। বললেন রিং লাগানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে। তখন একটু স্বাভাবিক হয়েছি। যেহেতু রিং লাগাতে যাচ্ছে তার মানে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। স্পোর্টসের সঙ্গে থাকা লোক, যে অসুস্থ হওয়ার আগের ১০ দিনে দুইটা সেঞ্চুরিও করেছে…কল্পনা করা যায় না। আমার পাশাপাশি অন্য সবাই–ও খুব আপসেট হয়েছেন।’

পরিবারের পক্ষ থেকে তামিমকে শিগগিরই বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তার চাচা, ‘তামিম যে জায়গা থেকে ফিরে এসেছে, আপনাদের দোয়া ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। প্রচুর কল-ম্যাসেজ পাচ্ছি। সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কাল ডাক্তারের সঙ্গেও কথা হয়েছে, এ ধরনের রোগীর ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। আল্লাহ রহমতে ও ফিরে এসেছে।’

‘এখন সে পর্যবেক্ষণে আছে। আরও ২-৩ দিন এই অবস্থায় থাকলে বাসায় নিয়ে আসতে পারব। যে চিকিৎসা হওয়ার তো হয়ে গেছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব পারিবারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের বাইরে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাব। দুশ্চিন্তা রাখতে চাচ্ছি না’, আরও যোগ করেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) মোহামেডানের হয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম। বুকে ব্যথা নিয়ে তিনি নিকটস্থ সাভারের কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে যান। পরে জানা যায়, দু’বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তামিমের। হার্টে ব্লক ধরা পড়ার পর রিংও পরানো হয়েছে। গতকাল সকাল থেকে তার অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পরে সন্ধ্যায় তাকে নিয়ে আসা হয় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। তামিমকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে আগামী তিন মাস।