Dhaka ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সাথে বাগবিতণ্ডা, পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা অসহায় মানুষের পাশে থাকতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাত্রিযাপনে এসে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, হোটেল মালিক গ্রেফতার বরিশালে এইডস রোগী বাড়ছে, বেশির ভাগই সমকামী খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নানী ও দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের বানান ভুল, চিড়িয়াখানার কিউরেটরকে বদলি আদ-দ্বীন হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ আওয়ামী লীগ প্রায় ছয় লাখ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে গেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না বাঁধন! এনসিপি নেতাকে জুতা পেটার ভিডিও ভাইরাল, দল থেকে অব্যাহতি

বালিয়াকান্দির বীরমুক্তিযোদ্ধা ৩৭০ জন হতদরিদ্রের চোখের আলো ফিরিয়েছেন 

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১
  • / 574

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের বাসিন্ধা অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার খান। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। এখন সমাজসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের সেবা করে চলেছেন। তার বদৌলতে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ৩৭০জন দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ। ঈদকে সামনে রেখে উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ১০জন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের নিজের অর্থায়নে চোখের ছানি অপারেশন করেছেন। তারা হলেন, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আলেয়া বেগম, কুরানিয়ার চর গ্রামের ইদ্রিস আলী শেখ, ফাতেমা বেগম, মনোয়ারা বেগম, গেন্দারদিয়া গ্রামের চম্পা বেগম, কাদিরপাড়া গ্রামের পুতুল রানী সিকদার, ইশোলিয়া গ্রামের সাহেরা বেগম, বোয়ালমারীর সেলিনা বেগম, বালিয়াকান্দি উপজেলার খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের রওশন আলী শেখ, আঃ মজিদ শেখ।

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ইতিমধ্যে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক, মহাত্ম্যা গান্ধী পুরস্কার, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বর্ণপদকসহ পাঁচটি পুরস্কার। ব্যক্তিজীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক খায়রুল বাশার খান ১৯৮০ সালের ১ জুন আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। এখন অবসর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে যাদের চোখে ছানি পড়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন লোকজনকে খুঁজে বের করে ছানি অপারেশন করান নিজ খরচে। অবশ্য তাকে এ-কাজে সহযোগিতা করেন তার জামাতা খন্দকার শামীম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে একটু ছাড় দেন। তা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করেন তিনি। জটিল রোগে যারা আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তাও দেন খায়রুল বাশার খান।

 খায়রুল বাশার খান বলেন, টাকার অভাবে একজন মানুষ ধীরে ধীরে চোখের আলো হারিয়ে ফেলবে, এটা হতে পারে না। তাই তিনি মানুষকে সহায়তা করেন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর এখন পুরোপুরি সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। সমাজসেবাতেই তার আনন্দ। যতদিন বেচে থাকবেন এ সেবা প্রদান অব্যহত রাখার অঙ্গিকার করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দির বীরমুক্তিযোদ্ধা ৩৭০ জন হতদরিদ্রের চোখের আলো ফিরিয়েছেন 

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের বাসিন্ধা অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার খান। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। এখন সমাজসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের সেবা করে চলেছেন। তার বদৌলতে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ৩৭০জন দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ। ঈদকে সামনে রেখে উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ১০জন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের নিজের অর্থায়নে চোখের ছানি অপারেশন করেছেন। তারা হলেন, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আলেয়া বেগম, কুরানিয়ার চর গ্রামের ইদ্রিস আলী শেখ, ফাতেমা বেগম, মনোয়ারা বেগম, গেন্দারদিয়া গ্রামের চম্পা বেগম, কাদিরপাড়া গ্রামের পুতুল রানী সিকদার, ইশোলিয়া গ্রামের সাহেরা বেগম, বোয়ালমারীর সেলিনা বেগম, বালিয়াকান্দি উপজেলার খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের রওশন আলী শেখ, আঃ মজিদ শেখ।

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ইতিমধ্যে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক, মহাত্ম্যা গান্ধী পুরস্কার, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বর্ণপদকসহ পাঁচটি পুরস্কার। ব্যক্তিজীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক খায়রুল বাশার খান ১৯৮০ সালের ১ জুন আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। এখন অবসর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে যাদের চোখে ছানি পড়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন লোকজনকে খুঁজে বের করে ছানি অপারেশন করান নিজ খরচে। অবশ্য তাকে এ-কাজে সহযোগিতা করেন তার জামাতা খন্দকার শামীম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে একটু ছাড় দেন। তা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করেন তিনি। জটিল রোগে যারা আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তাও দেন খায়রুল বাশার খান।

 খায়রুল বাশার খান বলেন, টাকার অভাবে একজন মানুষ ধীরে ধীরে চোখের আলো হারিয়ে ফেলবে, এটা হতে পারে না। তাই তিনি মানুষকে সহায়তা করেন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর এখন পুরোপুরি সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। সমাজসেবাতেই তার আনন্দ। যতদিন বেচে থাকবেন এ সেবা প্রদান অব্যহত রাখার অঙ্গিকার করেন।