Dhaka ০৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজে বোলিংয়ে হতাশায় দিন শেষ করল বাংলাদেশ জন্মের ১০ মাস পর বাবাকে দেখল শিশু, তাও কফিনবন্দি আসামে পরপর দুইবার ভূমিকম্প, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলেও অনুভূত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ, ২ শতাংশ জমা দিলেই নিয়মিত হবে খেলাপি ঋণ হান্টা ভাইরাস কী, মহামারির আশঙ্কা কতটা? লাইফ সাপোর্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিএনপি নতুন যুদ্ধ শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী ‌‘সবাই মারা গেছে, পরিবারের একজকেও বাঁচিয়ে রাখি নাই’ ধানের মণ ১৫০০ টাকাসহ আট দফা দাবিতে রাজবাড়ীতে কৃষকদের বিক্ষোভ

বালিয়াকান্দির বীরমুক্তিযোদ্ধা ৩৭০ জন হতদরিদ্রের চোখের আলো ফিরিয়েছেন 

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১
  • / 572

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের বাসিন্ধা অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার খান। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। এখন সমাজসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের সেবা করে চলেছেন। তার বদৌলতে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ৩৭০জন দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ। ঈদকে সামনে রেখে উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ১০জন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের নিজের অর্থায়নে চোখের ছানি অপারেশন করেছেন। তারা হলেন, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আলেয়া বেগম, কুরানিয়ার চর গ্রামের ইদ্রিস আলী শেখ, ফাতেমা বেগম, মনোয়ারা বেগম, গেন্দারদিয়া গ্রামের চম্পা বেগম, কাদিরপাড়া গ্রামের পুতুল রানী সিকদার, ইশোলিয়া গ্রামের সাহেরা বেগম, বোয়ালমারীর সেলিনা বেগম, বালিয়াকান্দি উপজেলার খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের রওশন আলী শেখ, আঃ মজিদ শেখ।

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ইতিমধ্যে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক, মহাত্ম্যা গান্ধী পুরস্কার, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বর্ণপদকসহ পাঁচটি পুরস্কার। ব্যক্তিজীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক খায়রুল বাশার খান ১৯৮০ সালের ১ জুন আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। এখন অবসর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে যাদের চোখে ছানি পড়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন লোকজনকে খুঁজে বের করে ছানি অপারেশন করান নিজ খরচে। অবশ্য তাকে এ-কাজে সহযোগিতা করেন তার জামাতা খন্দকার শামীম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে একটু ছাড় দেন। তা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করেন তিনি। জটিল রোগে যারা আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তাও দেন খায়রুল বাশার খান।

 খায়রুল বাশার খান বলেন, টাকার অভাবে একজন মানুষ ধীরে ধীরে চোখের আলো হারিয়ে ফেলবে, এটা হতে পারে না। তাই তিনি মানুষকে সহায়তা করেন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর এখন পুরোপুরি সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। সমাজসেবাতেই তার আনন্দ। যতদিন বেচে থাকবেন এ সেবা প্রদান অব্যহত রাখার অঙ্গিকার করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দির বীরমুক্তিযোদ্ধা ৩৭০ জন হতদরিদ্রের চোখের আলো ফিরিয়েছেন 

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের বাসিন্ধা অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার খান। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র হাতে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। এখন সমাজসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের সেবা করে চলেছেন। তার বদৌলতে চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ৩৭০জন দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ। ঈদকে সামনে রেখে উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ১০জন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের নিজের অর্থায়নে চোখের ছানি অপারেশন করেছেন। তারা হলেন, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আলেয়া বেগম, কুরানিয়ার চর গ্রামের ইদ্রিস আলী শেখ, ফাতেমা বেগম, মনোয়ারা বেগম, গেন্দারদিয়া গ্রামের চম্পা বেগম, কাদিরপাড়া গ্রামের পুতুল রানী সিকদার, ইশোলিয়া গ্রামের সাহেরা বেগম, বোয়ালমারীর সেলিনা বেগম, বালিয়াকান্দি উপজেলার খোর্দ্দমেগচামী গ্রামের রওশন আলী শেখ, আঃ মজিদ শেখ।

সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ইতিমধ্যে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক, মহাত্ম্যা গান্ধী পুরস্কার, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বর্ণপদকসহ পাঁচটি পুরস্কার। ব্যক্তিজীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক খায়রুল বাশার খান ১৯৮০ সালের ১ জুন আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। এখন অবসর জীবন-যাপন করছেন। বিশেষ করে যাদের চোখে ছানি পড়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন লোকজনকে খুঁজে বের করে ছানি অপারেশন করান নিজ খরচে। অবশ্য তাকে এ-কাজে সহযোগিতা করেন তার জামাতা খন্দকার শামীম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে একটু ছাড় দেন। তা ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করেন তিনি। জটিল রোগে যারা আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তাও দেন খায়রুল বাশার খান।

 খায়রুল বাশার খান বলেন, টাকার অভাবে একজন মানুষ ধীরে ধীরে চোখের আলো হারিয়ে ফেলবে, এটা হতে পারে না। তাই তিনি মানুষকে সহায়তা করেন। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর এখন পুরোপুরি সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন। সমাজসেবাতেই তার আনন্দ। যতদিন বেচে থাকবেন এ সেবা প্রদান অব্যহত রাখার অঙ্গিকার করেন।