রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

ছেলেকে এলবিডব্লু দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন যে বাবা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
ছেলেকে এলবিডব্লু দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন যে বাবা

খেলার মাঠে খেলা তো হয়ই, এর বাইরে হয় বিচিত্র অনেক কিছুই। মাঠে ও মাঠের বাইরের বিচিত্র সব ঘটনা নিয়েই এ আয়োজন।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

হিতেশ মোদি, এই নামটা মনে আছে! কেনিয়ার ক্রিকেটের সুসময়ে ৬৩টি ওয়ানডে খেলেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল বাবা সুভাষ মোদির হাতে!১৯৯৬ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে কেনিয়ার অভিষেক ওয়ানডেতে দলে থাকা হিতেশ শেষ ম্যাচটি খেলেন ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে। চার ম্যাচের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ গিয়েছিল কেনিয়ায়। নাইরোবির জিমখানা গ্রাউন্ডে ১১তম ওভারে হিতেশ যখন ব্যাটিংয়ে নামেন ৪০ রানে ৩ উইকেট নেই কেনিয়ার। পরের দুই ওভারে স্টিভ টিকোলো ও কলিন্স ওবুয়ার বিদায়ে ৪২/৫ হয়ে যায় কেনিয়া। এরপর ১৪তম ওভার যা হলো সেটিকে নাটক বলাই যায়।

বাংলাদেশের পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজার করা ওভারে আম্পায়ার ছিলেন সুভাষ মোদি, হিতেশের বাবা। ওভারের পঞ্চম বলটা ছিল ইনসুইং। হিতেশের ব্যাট ফাঁকি দিয়ে প্যাডে আঘাত করে বল। সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন মাশরাফির। বাবা হয়েও ছেলেকে আউট ঘোষণা দিতে একদমই সময় নেননি সুভাষ।

আর তাতেই ইতিহাস! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছেলেকে এলবিডব্লু দেওয়া প্রথম আম্পায়ার হয়ে গেলেন সুভাষ মোদি। এখন পর্যন্ত যা একমাত্র ঘটনা হয়েই আছে। পরে সুভাষ একাধিক সাক্ষাৎকারে গর্বভরেই বলেছেন এই ঘটনা, ‘হ্যাঁ, আমি আমার ছেলেকে আউট দিয়েছি। প্রথম ম্যাচেও ওর বিপক্ষে ব্যাট-প্যাড ক্যাচের আবেদনে আমি আঙুল তুলেছিলাম।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ছেলেকে এলবিডব্লু দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন যে বাবা

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

খেলার মাঠে খেলা তো হয়ই, এর বাইরে হয় বিচিত্র অনেক কিছুই। মাঠে ও মাঠের বাইরের বিচিত্র সব ঘটনা নিয়েই এ আয়োজন।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

হিতেশ মোদি, এই নামটা মনে আছে! কেনিয়ার ক্রিকেটের সুসময়ে ৬৩টি ওয়ানডে খেলেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল বাবা সুভাষ মোদির হাতে!১৯৯৬ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে কেনিয়ার অভিষেক ওয়ানডেতে দলে থাকা হিতেশ শেষ ম্যাচটি খেলেন ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে। চার ম্যাচের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ গিয়েছিল কেনিয়ায়। নাইরোবির জিমখানা গ্রাউন্ডে ১১তম ওভারে হিতেশ যখন ব্যাটিংয়ে নামেন ৪০ রানে ৩ উইকেট নেই কেনিয়ার। পরের দুই ওভারে স্টিভ টিকোলো ও কলিন্স ওবুয়ার বিদায়ে ৪২/৫ হয়ে যায় কেনিয়া। এরপর ১৪তম ওভার যা হলো সেটিকে নাটক বলাই যায়।

বাংলাদেশের পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজার করা ওভারে আম্পায়ার ছিলেন সুভাষ মোদি, হিতেশের বাবা। ওভারের পঞ্চম বলটা ছিল ইনসুইং। হিতেশের ব্যাট ফাঁকি দিয়ে প্যাডে আঘাত করে বল। সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন মাশরাফির। বাবা হয়েও ছেলেকে আউট ঘোষণা দিতে একদমই সময় নেননি সুভাষ।

আর তাতেই ইতিহাস! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছেলেকে এলবিডব্লু দেওয়া প্রথম আম্পায়ার হয়ে গেলেন সুভাষ মোদি। এখন পর্যন্ত যা একমাত্র ঘটনা হয়েই আছে। পরে সুভাষ একাধিক সাক্ষাৎকারে গর্বভরেই বলেছেন এই ঘটনা, ‘হ্যাঁ, আমি আমার ছেলেকে আউট দিয়েছি। প্রথম ম্যাচেও ওর বিপক্ষে ব্যাট-প্যাড ক্যাচের আবেদনে আমি আঙুল তুলেছিলাম।’