রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot

ডুলির কৌশলে প্রশ্ন, ইব্রাহীমের গোলে স্বস্তি বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / 3
ডুলির কৌশলে প্রশ্ন, ইব্রাহীমের গোলে স্বস্তি বাংলাদেশের

শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ তুলনামূলক দুর্বল ভুটান। তাই জয়টা প্রত্যাশিতই ছিল। কিন্তু মাঠের ফুটবলে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা গেল সামান্যই। বিশেষ করে প্রথমার্ধে বাংলাদেশের আক্রমণ ছিল একেবারেই ধারহীন। প্রধান কোচ টমাস ডুলির অদ্ভুত এক কৌশলে চেনা ছন্দই খুঁজে পাচ্ছিল না স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে নামা অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহীমের গোলে স্বস্তির জয় পেয়েছে লাল-সবুজের দল।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ইব্রাহীম। চার মিনিট আগে মাঠে নামা এই ফরোয়ার্ডের গোলেই শেষ পর্যন্ত পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শুরুতেই একাদশ সাজানো নিয়ে চমক দেখান বাংলাদেশের প্রধান কোচ ডুলি। নিয়মিত সেন্টার ব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে খেলান একেবারে আক্রমণভাগের কেন্দ্রে, অর্থাৎ নম্বর নাইন হিসেবে। জাতীয় দলের জার্সিতে বরাবরই নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারা ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকেও রাখেন শুরুর একাদশে। তবে কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি দুজনের কেউই। সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।

অবশ্য মাঠে নামার আগেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার ও সদ্য অধিনায়কত্ব পাওয়া তপু বর্মণ ওয়ার্মআপের সময় পেশির চোটে পড়েন। শেষ মুহূর্তে তার ছিটকে যাওয়ায় একাদশ ও কৌশল দুটোই বদলাতে হয় ডুলিকে।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

শুরুতে তারিক কাজীকে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলানোর পরিকল্পনা থাকলেও তপুর অনুপস্থিতিতে তাকে নামতে হয় সেন্টার ব্যাকে। সেখানে জিদান ইউসুফের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। একাদশে জায়গা পান কাজেম শাহ কিরমানি। মাঝমাঠে শমিত সোমের সঙ্গে দায়িত্ব সামলান জামাল ভূঁইয়া। তপুর অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ওঠে জামালের হাতে।

৪-২-৩-১ ছকে সাজানো বাংলাদেশ দলের গোলপোস্টের নিচে ছিলেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণে তারিক ও জিদানের পাশাপাশি খেলেন সাদ উদ্দিন ও জায়ান আহমেদ। দুই প্রান্তে রাকিব হোসেন ও ফাহিমকে রেখে আক্রমণভাগের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় বিশ্বনাথকে।

কিন্তু অপরিচিত পজিশনে খেলতে নেমে বিশ্বনাথ যে খুব একটা স্বচ্ছন্দ ছিলেন না, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে প্রথমার্ধেই। আক্রমণে কয়েকবার যুক্ত হলেও একজন স্বীকৃত স্ট্রাইকারের মতো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ডুলির কৌশলে প্রশ্ন, ইব্রাহীমের গোলে স্বস্তি বাংলাদেশের

প্রকাশের সময় : ০৫:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ তুলনামূলক দুর্বল ভুটান। তাই জয়টা প্রত্যাশিতই ছিল। কিন্তু মাঠের ফুটবলে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা গেল সামান্যই। বিশেষ করে প্রথমার্ধে বাংলাদেশের আক্রমণ ছিল একেবারেই ধারহীন। প্রধান কোচ টমাস ডুলির অদ্ভুত এক কৌশলে চেনা ছন্দই খুঁজে পাচ্ছিল না স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে নামা অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহীমের গোলে স্বস্তির জয় পেয়েছে লাল-সবুজের দল।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ইব্রাহীম। চার মিনিট আগে মাঠে নামা এই ফরোয়ার্ডের গোলেই শেষ পর্যন্ত পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শুরুতেই একাদশ সাজানো নিয়ে চমক দেখান বাংলাদেশের প্রধান কোচ ডুলি। নিয়মিত সেন্টার ব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে খেলান একেবারে আক্রমণভাগের কেন্দ্রে, অর্থাৎ নম্বর নাইন হিসেবে। জাতীয় দলের জার্সিতে বরাবরই নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারা ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকেও রাখেন শুরুর একাদশে। তবে কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি দুজনের কেউই। সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।

অবশ্য মাঠে নামার আগেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার ও সদ্য অধিনায়কত্ব পাওয়া তপু বর্মণ ওয়ার্মআপের সময় পেশির চোটে পড়েন। শেষ মুহূর্তে তার ছিটকে যাওয়ায় একাদশ ও কৌশল দুটোই বদলাতে হয় ডুলিকে।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

শুরুতে তারিক কাজীকে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলানোর পরিকল্পনা থাকলেও তপুর অনুপস্থিতিতে তাকে নামতে হয় সেন্টার ব্যাকে। সেখানে জিদান ইউসুফের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। একাদশে জায়গা পান কাজেম শাহ কিরমানি। মাঝমাঠে শমিত সোমের সঙ্গে দায়িত্ব সামলান জামাল ভূঁইয়া। তপুর অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ওঠে জামালের হাতে।

৪-২-৩-১ ছকে সাজানো বাংলাদেশ দলের গোলপোস্টের নিচে ছিলেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণে তারিক ও জিদানের পাশাপাশি খেলেন সাদ উদ্দিন ও জায়ান আহমেদ। দুই প্রান্তে রাকিব হোসেন ও ফাহিমকে রেখে আক্রমণভাগের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় বিশ্বনাথকে।

কিন্তু অপরিচিত পজিশনে খেলতে নেমে বিশ্বনাথ যে খুব একটা স্বচ্ছন্দ ছিলেন না, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে প্রথমার্ধেই। আক্রমণে কয়েকবার যুক্ত হলেও একজন স্বীকৃত স্ট্রাইকারের মতো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।